মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় এক মা ও মেয়ের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত মা-মেয়ে হলেন লায়লা আফরোজ ও নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজ। তাদের মৃতদেহ সোমবার সকালে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার মোটিভ যাই হোক না কেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কারণ খুন করার জন্য মেয়েটি (গৃহকর্মী) তার আসল নামপরিচয় গোপন করেছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, সন্দেহভাজন গৃহকর্মী বাইরে থেকে ছুরি এনেছিলেন। এছাড়া দুজনকে হত্যার পর ওই নারী বাথরুমে গোসলও সেরেছেন। পরে নাফিসার স্কুলড্রেস পরে বেরিয়ে যায়।
ভবনটির সিসিটিভি ক্যামেরায় ওই গৃহকর্মীর পালানোর দৃশ্য দেখে বাসিন্দারাও জানিয়েছেন, বিষয়টি স্বাভাবিক নয়।
এদিকে এ ঘটনায় সোমবার রাতেই মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছেন লায়লা আফরোজের স্বামী আ জ ম আজিজুল ইসলাম।
তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চাঞ্চল্যকর এ জোড়া খুনে জড়িত নারীকে গ্রেপ্তারে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন গৃহকর্মী আয়েশা নামের এক নারী। তিনি মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, সন্দেহভাজন গৃহকর্মী বাসার দামি জিনিসপত্র লুট করতে পারেন।
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত শেষে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। তারা জানিয়েছেন, এমন ঘটনা এই এলাকায় আগে কখনো ঘটেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। তারা জানিয়েছেন, এমন ঘটনা এই এলাকায় আগে কখনো ঘটেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। তারা জানিয়েছেন, এমন ঘটনা এই এলাকায় আগে কখনো ঘটেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। তারা জানিয়েছেন, এমন ঘটনা এই এলাকায় আগে কখনো ঘটেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।
এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা আতঙ্কিত। তারা জানিয়েছেন, এমন ঘটনা এই এলাকায় আগে কখনো ঘটেনি।
পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আ



