বাংলাদেশে সরকারি সংস্কারের পথে বাধা দেচ্ছে গোপনীয়তা ও আমলাতান্ত্রিক প্রতিরোধ। এমনটি মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
তিনি বলেছেন, সরকারি সংস্কারের সম্ভাবনা শুধুমাত্র তখনই বাস্তব হবে যখন দেশের রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক সংস্কৃতি পরিবর্তন হবে। ড. ইফতেখারুজ্জামান একটি আলোচনায় এসব কথা বলেন, যা আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে টিআইবি আয়োজন করেছিল।
তিনি বলেছেন, অস্থায়ী সরকার প্রতিটি আইন তৈরি করার ক্ষেত্রে গোপনীয়তা অনুসরণ করেছে। এমনকি তিনি যখন একটি কমিশনের প্রধান হিসেবে মতামত দেওয়ার জন্য খসড়া আইন অন্য চ্যানেলের মাধ্যমে পান।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, অস্থায়ী সরকারের অধীনে পাস হওয়া বেশ কয়েকটি আইনে তিনি জড়িত ছিলেন। কিন্তু তিনি বলেছেন, তিনি জড়িত হয়েছেন বলে মনে করার কারণ নেই, বরং তিনি নিজেই জড়িত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেছেন, যখন এই আইনগুলো তৈরি করা হয়েছিল, তখন দুর্নীতি বিরোধী সংস্কার কমিশনের দ্রুত প্রস্তাবগুলো সম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করা হয়নি।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, কমিশনটি দুর্নীতি বিরোধী কমিশনের জন্য একটি ‘নির্বাচন ও পর্যালোচনা’ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু আইনটি তৈরি করার সময় ‘নির্বাচন’ শব্দটি বজায় রাখা হয়েছিল, কিন্তু ‘পর্যালোচনা’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছিল।
পরে তিনি জানতে পারেন, এই শব্দটি আবার বাদ দেওয়া হয়েছে।
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, মিডিয়া সংস্কারের ক্ষেত্রেও কোনো পরিবর্তন হবে না যদি না সরকার মিডিয়াকে নিরাপদ করতে পারে। মিডিয়া সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনটি ইতিমধ্যেই ধুলো জমাচ্ছে, কারণ এর সুপারিশগুলো এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি বলেছেন, সরকারি সংস্কারের পথে বাধা দেওয়ার জন্য গোপনীয়তা ও আমলাতান্ত্রিক প্রতিরোধ দায়ী। তিনি আশা করেন, সরকার এই বাধাগুলো দূর করতে সক্ষম হবে এবং দেশের সংস্কারের পথে এগিয়ে যাবে।
ড. ইফতেখারুজ্জামানের মন্তব্যগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। তার কথাগুলো দেশের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনাকে গতিশীল করে তুলবে বলে আশা করা যায়।
বাংলাদেশের সংস্কারের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য, সরকারকে গোপনীয়তা ও আমলাতান্ত্রিক প্রতিরোধকে দূর করতে হবে। এটি দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ড. ইফতেখারুজ্জামানের মন্তব্যগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে। তার কথাগুলো দেশের সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আলোচনাকে গতিশীল করে তুলবে বলে আশা করা যায়।
বাংলাদেশের সংস্কারের পথে এগিয়ে যাওয়ার জন্য, সরকারকে গোপনীয়তা ও আমলাতান্ত্রিক প্রতিরোধকে দূর করতে হবে। এটি দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সরকারকে দুর্নী



