পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, প্রকৌশলীদের পাশাপাশি পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এডুকেশন থো অ্যাক্রেডিয়েশন শীর্ষক চতুর্থ আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়ামে এ মন্তব্য করেন।
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রকৌশল শিক্ষাকে সামাজিক ও পরিবেশগতভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে। তিনি বলেন, প্রকৃত অর্থে প্রকৌশল শিক্ষার মান তখনই নিশ্চিত হবে যখন তা পরিবেশগত ন্যায়বিচার, সামাজিক সাম্য ও জলবায়ু সহনশীলতাকে প্রতিফলিত করবে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, আমাদের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষার মান উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তাত্ত্বিক শিক্ষার পরিমাণ বেশি হলেও ব্যবহারিক দক্ষতা ও শিল্পখাতের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে।
তিনি বলেন, শিল্পখাতে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকলেও দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অ্যাকাডেমিয়া ও ইন্ডাস্ট্রির এই ব্যবধান দূর হলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দিনের এই আলোচনা ও আয়োজন থেকে গুরুত্বপূর্ণ নীতি-সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা পাওয়া যাবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন: প্রকৌশল শিক্ষায় পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য আপনি কী করবেন? আপনার মতামত আমাদের সাথে শেয়ার করুন।



