ইসরায়েল জর্ডান সীমান্তের অ্যালেনবি ক্রসিং আবার খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ক্রসিংটি গত সেপ্টেম্বরে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখন থেকে জর্ডান থেকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তার ট্রাক প্রবেশ করতে পারবে।
ইসরায়েলের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সমঝোতা ও সরকারি নির্দেশনার ভিত্তিতে অ্যালেনবি ক্রসিং দিয়ে জর্ডান থেকে পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকার জন্য পণ্য ও ত্রাণ প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গাজামুখী ত্রাণবাহী ট্রাকগুলো কঠোর তল্লাশির পর নিরাপত্তা বাহিনীর পাহারায় গন্তব্যে পৌঁছাবে।
এই ক্রসিং বন্ধ হওয়ার ফলে প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি আটকা পড়ে যায়। পশ্চিম তীরে যারা বিদেশ ভ্রমণের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, তারা আটকা পড়েন। এই সিদ্ধান্তের ফলে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্তের তাৎপর্য অনেক। এই অঞ্চলের শান্তি প্রতিষ্ঠায় এই ধরনের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব অনেক। এই সিদ্ধান্তের ফলে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছুটা আশা জাগতে পারে।
এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা দেখার বিষয়। এই অঞ্চলের শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই সিদ্ধান্তের ফলে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্তের তাৎপর্য অনেক। এই অঞ্চলের শান্তি প্রতিষ্ঠায় এই ধরনের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব অনেক। এই সিদ্ধান্তের ফলে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছুটা আশা জাগতে পারে।
এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা দেখার বিষয়। এই অঞ্চলের শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই সিদ্ধান্তের ফলে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে এই অঞ্চলের মানুষের জন্য কিছুটা আশা জাগতে পারে। এই অঞ্চলের শান্তি প্রতিষ্ঠায় এই ধরনের সিদ্ধান্তের গুরুত্ব অনেক। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা দেখার বিষয়।



