বাংলাদেশে ব্যাংকে জমা কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে। এটি একটি ইতিবাচক প্রবণতা যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রতিফলিত করে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাড়ির ভেতরে লুকিয়ে রাখা অর্থ এখন ব্যাংকে জমা দেওয়ার কারণে কোটিপতি ব্যাংক হিসাবধারীর সংখ্যা বাড়ছে।
গত রবিবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ব্যাংক খাতে কোটিপতি গ্রাহকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। চলতি বছরের মার্চ প্রান্তিকের তুলনায় জুন প্রান্তিকে এ হিসাব সংখ্যা বেড়েছিল ৫ হাজার ৯৭৪টি। জুন থেকে সেপ্টেম্বর- এ তিন মাসে ৭৩৪টি কোটিপতির অ্যাকাউন্ট সংখ্যা বেড়েছে।
একই সময়ে ব্যাংকে আমানতও কিছুটা বেড়েছে। জুন শেষে আমানতের পরিমাণ ছিল ১৯ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বর শেষে তা দাঁড়ায় ২০ লাখ ৩১ হাজার ১১৯ কোটি টাকা। ফলে তিন মাসে আমানত বেড়েছে ৩৪ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, ১৯৭২ সালে কোটিপতি আমানতকারী ছিল মাত্র ৫ জন। এরপর ১৯৭৫ সালে ৪৭ জন, ১৯৮০ সালে ৯৮টি হিসাব, ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪টি কোটিপতি হিসাব বা অ্যাকাউন্ট ছিল। এরপর ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২টি, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭টি ও ২০০৮ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯ হাজার ১৬৩টি।
এই প্রবণতা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি ইতিবাচক লক্ষণ। ব্যাংকে আমানত বৃদ্ধি এবং কোটিপতির সংখ্যা বৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। এটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির একটি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত।
অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের মতে, বাড়ির ভেতরে লুকিয়ে রাখা অর্থ এখন ব্যাংকে জমা দেওয়ার কারণে কোটিপতি ব্যাংক হিসাবধারীর সংখ্যা বাড়ছে। এটি একটি ইতিবাচক প্রবণতা যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে প্রতিফলিত করে। এই প্রবণতা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক।
সবশেষে, ব্যাংকে আমানত বৃদ্ধি এবং কোটিপতির সংখ্যা বৃদ্ধি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি ইতিবাচক লক্ষণ। এটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধির একটি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত। এই প্রবণতা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক।



