আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১কে জানানো হয়েছে যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আজমি, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর গোলাম আজমের ছেলে, যখন তাকে আটক করা হয়েছিল, তখন তাকে একটি এয়ার কন্ডিশনযুক্ত রুমে রাখা হয়েছিল।
এই তথ্যটি আজমির অপহরণ সংক্রান্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে আজমিকে যে রুমে রাখা হয়েছিল, সেটির মাপ ২১ বাই ১৭ ফুট, দুটি দরজা, পাঁচটি জানালা, একটি খাট, একটি পড়ার টেবিল, একটি আলমারি এবং একটি এয়ার কন্ডিশনার ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে জানালাগুলো বন্ধ ছিল, কিন্তু একটি এয়ার কন্ডিশনার ছিল। এটি আয়নঘর নয়, বরং অন্য একটি স্থান ছিল।
এই তথ্যগুলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১-এ আজমির মামলার শুনানির সময় উপস্থাপন করা হয়েছে।
প্রসিকিউশন পক্ষ এই তথ্যগুলোর বিরোধিতা করেছে, বলেছে যে এই তথ্যগুলো বিচারের এই পর্যায়ে অপ্রাসঙ্গিক।
আজমির মামলাটি এখনও বিচারাধীন।
আইনজীবীরা বলেছেন যে তারা এই মামলার বিচার চালিয়ে যাবেন এবং তাদের ক্লায়েন্টদের নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টা করবেন।
এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
এই মামলার বিচার বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
আইনজীবীরা বলেছেন যে তারা এই মামলার বিচার সম্পর্কে উদ্বিগ্ন এবং তারা এই মামলার বিচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।
এই মামলার বিচার বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
আইনজীবীরা বলেছেন যে তারা এই মামলার বিচার সম্পর্কে উদ্বিগ্ন এবং তারা এই মামলার বিচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।



