জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ তার জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, গত বছরের ১৭ জুলাই রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় তার মামার বাসা থেকে তাকে ও অন্য একজন সমন্বয়ককে ডিজিএফআই তুলে নিয়ে যায়।
তিনি বলেন, সেদিন রাতে তাদের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিন মন্ত্রী তাদের সাথে সাক্ষাৎ করতে চান, কিন্তু তারা সাক্ষাৎ করতে অস্বীকৃতি জানান।
হাসনাত আবদুল্লাহ জানিয়েছেন, তারা যে বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল, সেটি বাইরে থেকে পরিত্যক্ত বাড়ি মনে হলেও ভেতরে ছিল আধুনিক সরঞ্জামে সজ্জিত।
তিনি বলেন, ডিজিএফআই তাদের বাসায় ফেরত না দিয়ে সেদিন রাতে মৎস্য ভবন ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মাঝামাঝি জায়গায় সেফ হাউস নামে একটি গোপন স্থানে নিয়ে যায়।
হাসনাত আবদুল্লাহ এই জবানবন্দি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ দিচ্ছেন। তিনি গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার ২২তম সাক্ষী।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে।
হাসনাত আবদুল্লাহর জবানবন্দি এই মামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।
এই ঘটনার পর থেকে ডিজিএফআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ডিজিএফআইয়ের এই ধরনের কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সরকারের প্রতি বিক্ষোভ জানাবে।
হাসনাত আবদুল্লাহর জবানবন্দি এই মামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।
এই ঘটনার পর থেকে ডিজিএফআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ডিজিএফআইয়ের এই ধরনের কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সরকারের প্রতি বিক্ষোভ জানাবে।
হাসনাত আবদুল্লাহর জবানবন্দি এই মামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।
এই ঘটনার পর থেকে ডিজিএফআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ডিজিএফআইয়ের এই ধরনের কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে সরকারের প্রতি বিক্ষোভ জানাবে।
হাসনাত আবদুল্লাহর জবানবন্দি এই মামলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই ঘটনার পর থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে।
এই ঘটনার পর থেকে ডিজিএফআইয়ের



