সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা সরকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার পাশাপাশি তাদের দাবি পূরণের জন্য সময় দিয়েছে। তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ প্রকাশ ও নবীন শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরুর নিশ্চয়তা পেতে।
মঙ্গলবার ঢাকা কলেজের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা এসব কথা জানান। তারা বলেন, সাত কলেজ ২০১৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পর থেকেই বঞ্চনা, অব্যবস্থাপনা ও মানসম্মত শিক্ষার সংকটে ভুগছে।
শিক্ষার্থীরা দেড় বছর ধরে সাত কলেজকে একত্রিত করে নতুন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার দাবি নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের শোষণ-বঞ্চনার অবসান হবে এবং উচ্চশিক্ষায় গুণগত মান ও গবেষণার পরিবেশ তৈরি হবে.
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের খসড়া প্রকাশের কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও ‘শিক্ষা সিন্ডিকেট’ ও বিভিন্ন মহলের চাপে সরকার অধ্যাদেশটি এখনো চূড়ান্ত করছে না।
শিক্ষার্থীরা বলেন, তারা বরাবরই সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং এবারও প্রতিশ্রুত সময়সীমাকে সম্মান জানাতে চান। তবে অধ্যাদেশে যদি শিক্ষার্থীদের অধিকার, গুণগত শিক্ষার নিশ্চয়তা ও দীর্ঘদিনের দাবি অক্ষুণ্ণ না থাকে, তাহলে শিক্ষার্থীরা সেই অধ্যাদেশ মানবে না।
শিক্ষার্থীরা আশঙ্কা করছে যে আগের খসড়ায় বড় ধরনের সংশোধনী এনে ষড়যন্ত্রকারীরা শিক্ষার্থীদের অধিকার খর্ব করার চেষ্টা করতে পারে।
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হলেও তারা স্পষ্ট জানিয়েছে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত না এলে আবারও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শিক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই আন্দোলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করছে।
শিক্ষার্থীদের এই সংগ্রাম সফল হওয়ার জন্য সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শিক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই আন্দোলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করছে।
শিক্ষার্থীদের এই সংগ্রাম সফল হওয়ার জন্য সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করছে। তারা চায় তাদের শিক্ষা গ্রহণের অধিকার নিশ্চিত করা হোক।
শিক্ষার্থীদের এই দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শিক্ষা খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই আন্দোলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করছে।
শিক্ষার্থীদের এই সংগ্রাম সফল হওয়ার জন্য সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে শিক্ষার্থীদের দাবি পূ



