নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় নির্বাচনী জরিপের ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচনী জরিপে হতাশ হয়ে কেউ কেউ ষড়যন্ত্র করতে পারে।
মঙ্গলবার রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। সেখানে দলের শীর্ষ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নজরুল ইসলাম বলেন, একটি জরিপের রিপোর্ট বের হয়েছে। সেখানে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে, বেশি আসন এই নির্বাচনে কে পাবে? কোন দল? শতকরা ৬৬ ভাগ উত্তরদাতা বলেছে বিএনপি। আর শতকরা ২৬ ভাগ উত্তরদাতা বলেছে জামায়াতে ইসলামী।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের পতন ও একটা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক দফা। এই এক দফা আমরা অর্জন করেছি।
নজরুল ইসলাম বলেন, কোটিপতি বাড়বে, দরিদ্র বাড়বে এটাকে উন্নয়ন বলে না। আমরা দেশে উন্নয়ন দেখেছি। বড় বড় দালানকোঠা, বড় বড় এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন ট্রেন ইত্যাদি। কিন্তু পাশাপাশি আমরা দেখেছি জনগণের মৌলিক নূন্যতম আকাঙ্ক্ষাগুলো অপূর্ণ থেকে যেতে।
তিনি বলেন, আমরা পত্রিকায় পড়েছি যে, কোটিপতি উৎপাদনের দেশ হিসাবে বাংলাদেশ শীর্ষে। অথচ আমরা এটাও পড়েছি যে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে চলে যায়। একদিকে কিছু মানুষ কোটিপতি হয়, আরেক দিকে লক্ষ লক্ষ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে পড়ে যায়। এই অবস্থা গ্রহণযোগ্য না। এটাকে উন্নয়ন বলে না।
নজরুল ইসলাম বলেন, একজন রাজনীতিবিদ বলেছিলেন যে দেশের মানুষ বেকার, উপার্জনহীন, বাস্তুচ্যুত। এই অবস্থা পরিবর্তন করতে হবে।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে বাকি অংশটুকু পূরণ করার জন্যই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। কিন্তু এই বাংলাদেশের জনগণ মাত্র কিছুদিন আগে ১৫ বছর ধরে সিন্দাবাদের দৈত্যের মত ঘাড়ে চেপে বসা একটা নিপীড়নকারী, একটা খুনি, একটা ফ্যাসিবাদী সরকারকে উৎখাত করেছে। সেই জনগণ কোন ষড়যন্ত্র হতে দেবে না। কোন ষড়যন্ত্র এই জনগণকে পরাজিত করতে পারেনি এবং পারবে না ইনশাআল্লাহ।
নজরুল ইসলামের এই মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করবে বলে মনে করা হচ্ছে। দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এই ধরনের মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
নজরুল ইসলাম খানের এই মন্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হবে। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের এই মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মোড় ঘটাবে। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ভবিষ্য



