বুরকিনা ফাসোতে নাইজেরিয়ার একটি সামরিক বিমান অবতরণের পর উত্তেজনা বাড়ছে। বিমানটি বুরকিনা ফাসোর বায়ুসীমা লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
বুরকিনা ফাসোর সীমান্ত প্রশাসক মন্ত্রী এমিল জেরবো জানিয়েছেন, বিমানটি অনুমতি ছাড়াই বুরকিনা ফাসোর বায়ুসীমায় প্রবেশ করেছে। বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজারের সামরিক সরকারগুলো একটি সম্মিলিত বিবৃতিতে এই ঘটনাকে তাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে।
নাইজেরিয়ার বিমানবাহিনী জানিয়েছে, বিমানটি পর্তুগালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল, কিন্তু একটি কারিগরি সমস্যার কারণে বুরকিনা ফাসোতে অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে। বিমানটিতে থাকা সামরিক কর্মকর্তারা নিরাপদে আছেন এবং তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সহায়তা পাচ্ছেন।
বুরকিনা ফাসোর সরকার এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং বিমানটি অবতরণের জন্য নির্বাচিত স্থানটি ছিল বুরকিনা ফাসোর দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বোবো-ডিউলাসো। নাইজেরিয়ার বিমানবাহিনী জানিয়েছে, বিমানটি যেখানে অবতরণ করেছে সেটি ছিল সবচেয়ে কাছের বিমানবন্দর।
বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজারের সামরিক সরকারগুলো একটি সম্মিলিত বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা তাদের বায়ুসীমা লঙ্ঘনকারী যেকোনো বিমানকে নিরপেক্ষ করার জন্য তাদের বিমানবাহিনীকে অনুমতি দিয়েছে।
এই ঘটনার পর বুরকিনা ফাসো এবং নাইজেরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। বুরকিনা ফাসোর সরকার এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং নাইজেরিয়ার সাথে কূটনৈতিক আলোচনা করছে।
এই ঘটনার পর আফ্রিকার অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে। বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজারের সামরিক সরকারগুলো তাদের বায়ুসীমা রক্ষার জন্য প্রস্তুত।
নাইজেরিয়ার বিমানবাহিনী জানিয়েছে, তারা পর্তুগালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল, কিন্তু একটি কারিগরি সমস্যার কারণে বুরকিনা ফাসোতে অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে। বিমানটিতে থাকা সামরিক কর্মকর্তারা নিরাপদে আছেন এবং তারা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সহায়তা পাচ্ছেন।
এই ঘটনার পর বুরকিনা ফাসো এবং নাইজেরিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বুরকিনা ফাসোর সরকার এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং নাইজেরিয়ার সাথে কূটনৈতিক আলোচনা করছে।
এই ঘটনার পর আফ্রিকার অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে। বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজারের সামরিক সরকারগুলো তাদের বায়ুসীমা রক্ষার জন্য প্রস্তুত।
এই ঘটনার পর বুরকিনা ফাসো এবং নাইজেরিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বুরকিনা ফাসোর সরকার এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং নাইজেরিয়ার সাথে কূটনৈতিক আলোচনা করছে।
এই ঘটনার পর আফ্রিকার অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে। বুরকিনা ফাসো, মালি এবং নাইজারের সামরিক সরকারগুলো তাদের বায়ুসীমা রক্ষার জন্য প্রস্তুত।
বুরকিনা ফাসোতে নাইজেরিয়ার বিমান অবতরণের ঘটনাটি আফ্রিকার অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। বুরকিনা ফাসোর সরকার এই ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে এবং নাইজেরিয়ার সাথে কূট



