ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে তারা রাশিয়ার কাছে তাদের ভূখণ্ড সমর্পণ করতে চান না। এই সিদ্ধান্তের পেছনে তিনি ইউক্রেনীয় আইন, সংবিধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তাদের কোনো আইনি বা নৈতিক অধিকার নেই।
ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে চলমান সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে এই ঘোষণা একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। জেলেনস্কি আরও বলেছেন যে তারা একটি নতুন শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তুত করছে, যা শীঘ্রই হোয়াইট হাউসের কাছে উপস্থাপন করা হবে।
এদিকে, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী ইউক্রেনের সীমান্ত বরাবর এগিয়ে যাচ্ছে। রাশিয়ার চিফ অফ জেনারেল স্টাফ ভ্যালেরি গেরাসিমভ জানিয়েছেন যে তারা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পোকরভস্ক শহরের কাছে মিরনোহরাডকে লক্ষ্যবস্তু করছে। রাশিয়া দাবি করছে যে তারা পোকরভস্ক দখল করেছে, যা দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক নিয়ে গঠিত ইউক্রেনের ডনবাসের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষেত্রে পুতিনকে আরও কাছাকাছি নিয়ে যাবে। ইউক্রেন এই দাবি অস্বীকার করেছে।
এই সংঘাতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে বিশ্লেষকরা বলছেন যে এটি ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ককে আরও বাড়িয়ে তুলবে। এছাড়াও, এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করবে। এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা এবং সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টা গুরুত্বপূর্ণ হবে।
ইউক্রেনের জনগণ এই সংঘাতের কারণে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের জীবনযাপন করতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন।
এই সংঘাতের সমাধান খুঁজে পেতে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে আলোচনা প্রয়োজন। এছাড়াও, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন। এই পরিস্থিতি সমাধানের জন্য সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।



