বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, মত পার্থক্য থাকলেও চব্বিশের অভ্যুত্থানের স্বপ্ন ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। তিনি সকলকে আহ্বান জানান যাতে তারা ২৪ এর জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অর্জিত বিজয়কে সুসংহত করতে পারেন।
মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে প্রফেসর ড. মাহবুব উল্যাহ ও তার স্ত্রী সালমা আলো প্রণীত গ্রন্থসমূহের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে দেশ গঠনের যে ঐতিহাসিক সুযোগ তৈরি হয়েছে, তাকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজে লাগাতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশপ্রেমিক সকল শক্তিকে এখন এক হয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, যাতে এই বিজয়ের জন্য দেওয়া আত্মত্যাগ বৃথা না যায় এবং একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যায়। তিনি আরও বলেন, ভিশন ২০৩০ বইটির মূল ভাবনা ছিল প্রফেসর মাহবুব উল্যাহর। দেশকে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করা এবং রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার চিন্তা-চেতনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনবদ্য।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই আহ্বান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বিস্তার করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, বিএনপি এখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। এই প্রচেষ্টার ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও গতিশীল হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিবের এই বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার আহ্বানে সাড়া দেবে এমন রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিদের প্রতিক্রিয়া দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো একসাথে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রচেষ্টার ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



