বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ২.৫১ বিলিয়ন ডলার কিনেছে। এর মধ্যে আজ প্রায় ২০২ মিলিয়ন ডলার কেনা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১৩টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে এই পরিমাণ ডলার কেনা হয়েছে। ডলারের বিনিময় হার ছিল টাকায় ১২২.২৭ থেকে ১২২.২৯।
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রায় ৫ বছর আগে থেকে তার বিদেশী মুদ্রার রিজার্ভ থেকে প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে। এটি করা হয়েছিল জ্বালানি, সার এবং খাদ্য আমদানির জন্য। কিন্তু এই অর্থবছরের শুরু থেকে, রপ্তানি এবং বিদেশী মুদ্রা প্রেরণ বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার কেনা শুরু করেছে।
জুলাই মাস থেকে টাকার মূল্য ডলারের তুলনায় বাড়তে শুরু করেছে। জুলাইয়ের ২ তারিখে, ডলারের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল টাকায় ১২২.৮৫। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের বিদেশী মুদ্রার রিজার্ভ ডিসেম্বর ১, ২০২৫ পর্যন্ত ৩১.২১ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হতে পারে। কারণ, এটি বাংলাদেশের বিদেশী মুদ্রার রিজার্ভকে শক্তিশালী করবে। এছাড়াও, এটি টাকার মূল্যকে স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে।
তবে, এই সিদ্ধান্তের প্রভাব ভবিষ্যতে কী হবে তা এখনও অস্পষ্ট। কারণ, বিশ্ব অর্থনীতির পরিস্থিতি পরিবর্তনশীল। তাই, বাংলাদেশ ব্যাংককে সব সময় সতর্ক থাকতে হবে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
সব মিলিয়ে, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্ত অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক হতে পারে। কিন্তু, ভবিষ্যতের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা এবং সময়মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদেশী মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধির ফলে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হবে। এটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংককে সব সময় সতর্ক থাকতে হবে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের বিদেশী মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পাবে। এটি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য অবদান রাখবে। তবে, বাংলাদেশ ব্যাংককে সব সময় সতর্ক থাকতে হবে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে।



