জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের চাকরির সুযোগ কম হচ্ছে। একটি গবেষণায় এমনটি উঠে এসেছে। এই গবেষণাটি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) এর একজন গবেষক তাহরিন তাহরিমা চৌধুরী উপস্থাপন করেছেন।
এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের চাকরির সুযোগ কম হচ্ছে। এর কারণ হলো, তারা নিম্নমানের স্নাতক হিসেবে বিবেচিত হয়। এই গবেষণাটি ১,৬৩৯ জন স্নাতকের উপর করা হয়েছে, যারা ৫১৫টি কলেজের সাথে যুক্ত।
বিশ্বব্যাংকের একটি গবেষণা অনুযায়ী, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের মধ্যে ৪৬ শতাংশ স্নাতক হওয়ার ৩-৪ বছর পরেও চাকরি পায় না। এটি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থায় গভীর ফাটল দেখাচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিক্স (বিবিএস) এর লেবার ফোর্স সার্ভে (এলএফএস) ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৯ লাখ বেকার স্নাতক রয়েছে। গত পাঁচ বছরে মোট বেকারত্বের হার কমলেও, উচ্চশিক্ষা প্রাপ্তদের মধ্যে বেকারত্বের হার বাড়ছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের মধ্যে ৪৬ শতাংশ বেকারত্বের হার সবচেয়ে উদ্বেগজনক। এটি দেখাচ্ছে যে, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে একটি বড় পার্থক্য রয়েছে।
এই পরিস্থিতি পরিবর্তনের জন্য, শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। স্নাতকদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে। এছাড়াও, কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য নতুন নতুন উদ্যোগ নিতে হবে।
শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যতের জন্য উদ্বিগ্ন। তারা চাকরির সুযোগ পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। কিন্তু, চাকরির সুযোগ না পাওয়ার কারণে তারা হতাশ হচ্ছে।
সরকারকে এই পরিস্থিতির সমাধান করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য নতুন নতুন উদ্যোগ নিতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা তাদের ভবিষ্যতের জন্য আশাবাদী হতে পারবে।
পাঠকদের জন্য প্রশ্ন হলো, কিভাবে আমরা এই পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারি? কিভাবে আমরা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়াতে পারি? কিভাবে আমরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারি?



