ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ডাকযোগে ভোট দেবেন এমন ব্যক্তিদের ব্যালটে নিবন্ধন স্থগিত থাকা আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক থাকবে না। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, চূড়ান্ত পোস্টাল ব্যালটে নিষিদ্ধ বা স্থগিত কোনো দলের প্রতীক থাকবে না। সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ২০০৮ সালে বাধ্যতামূলক করা হয়। তখন থেকে এ পর্যন্ত ৫৯টি দল নিবন্ধন পেয়েছে। এর মধ্যে স্থগিত রয়েছে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন; বাতিল হয়েছে ফ্রিডম পার্টি (কুড়াল), ঐকবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন (চাবি) ও পিডিপির (বাঘ) নিবন্ধন।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, যেসব দলের নিবন্ধন বাতিল হয়েছে, তাদের প্রতীক ইসির অধীনে রয়েছে। তাই এসব প্রতীক পোস্টাল ব্যালটে রাখতে বাধা নাই। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য এবার ১১৮টি প্রতীক চূড়ান্ত করা হয়েছে। পোস্টাল ব্যালট ভোটের আগেই পাঠানোর দরকার হওয়ায় তাতে সব প্রতীকই রাখা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, সংসদ নির্বাচনে আসনভিত্তিক দলীয় প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর নামসহ প্রতীক রাখা হয় ব্যালট পেপারে। তবে পোস্টাল ব্যালটে থাকবে কেবল প্রতীক থাকবে। অ্যাপে বা ওয়েবসাইটে সংশ্লিষ্ট আসনের প্রার্থী দেখে প্রতীকে টিক/ক্রস দিতে হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তার নেতৃত্বে দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের ফলে দলটির ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।
এই বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন পরিস্থিতি তৈরি হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ না থাকায় অন্যান্য দলগুলোর ভোট বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা কেমন প্রতিক্রিয়া জানাবে তা এখনও অনিশ্চিত।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি নতুন পরিস্থিতি তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



