মোহাম্মদপুরে এক মায়ের ও কন্যার হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ আসামি গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করতে সংগ্রাম করছে। গৃহকর্মী আয়েশা নামের এক নারী, যিনি মোহাম্মদপুরের এক বাসায় কাজ করতেন, তিনি এখনও পলাতক।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসামি গৃহকর্মীর আসল নাম ও ঠিকানা জানা যায়নি, যা তদন্তকে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে। সোমবার সকালে লাইলা আফরোজ ও তার নবম শ্রেণীর কন্যা নাফিসা নাওয়াল বিনতে আজিজকে তাদের মোহাম্মদপুরের বাসায় কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আসামি গৃহকর্মী ওই বাড়িতে চার দিন আগে কাজে যোগদান করেছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসামি গৃহকর্মী কোনো মোবাইল ফোন বহন করছিলেন না এবং পাশ্ববর্তী এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো কাজ করছিল না, যা তাকে ধরার কাজকে আরও কঠিন করে তুলেছে। পুলিশ এখন এই ধরনের ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করছে এবং আশা করছে শীঘ্রই আসামি গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে।
মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন জানিয়েছেন, এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে কোনো প্রেরণা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ আসামি গৃহকর্মীকে ধরার চেষ্টা করছে, কিন্তু এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসামি গৃহকর্মী নাফিসার স্কুল ইউনিফর্ম পরে বাড়ি থেকে পালিয়েছেন। পুলিশ এখন সমস্ত সম্ভাব্য পথে তাকে খুঁজছে। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আশা করছে শীঘ্রই আসামি গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং সমস্ত সম্ভাব্য দিক থেকে তদন্ত করছে। পুলিশ আশা করছে শীঘ্রই এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হবে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চলছে এবং পুলিশ আশা করছে শীঘ্রই আসামি গৃহকর্মীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে। পুলিশ সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং সমস্ত সম্ভাব্য দিক থেকে তদন্ত করছে।
এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং সমস্ত সম্ভাব্য দিক থেকে তদন্ত করছে। পুলিশ আশা করছে শীঘ্রই এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হবে।



