জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আগামী মাসে ১ লাখ নতুন ব্যবসায়কে ভ্যাট আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়েছে। এটি ভ্যাট সপ্তাহ উপলক্ষ্যে নেওয়া একটি উদ্যোগ। এনবিআর চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান আজ ঢাকায় এনবিআর সদর দপ্তরে এক প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য জানান।
বর্তমানে বাংলাদেশে ৬.৪৪ লাখ ভ্যাট-নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং গত অক্টোবর মাসে ৩.৪৪ লাখ প্রতিষ্ঠান ভ্যাট রিটার্ন জমা দিয়েছে। এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, দেশের ব্যবসার আয়তন বিবেচনা করে ভ্যাট সংগ্রহ খুবই কম। তারা হারিয়ে যাওয়া রাজস্ব উদ্ধারে কাজ করছে।
এনবিআর একটি স্বয়ংক্রিয় ভ্যাট রিফান্ড সিস্টেম চালু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটি কার্যকর হলে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য রিফান্ড প্রক্রিয়াটি সহজ এবং স্বচ্ছ হবে। এনবিআর একটি ওয়ান-ক্লিক ই-ভ্যাট রিটার্ন সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছে, যাতে ছোট ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো মধ্যস্থতাকারীদের সাহায্য ছাড়াই নিজেদের রিটার্ন জমা দিতে পারে।
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ব্যাংকিং খাতে অস্থিতিশীলতার কারণে এবং উন্নয়ন বাজেট কমানোর কারণে চলতি বছরের রাজস্ব সংগ্রহ কমেছে। তিনি আরও বলেন, ভ্যাট আইনে সংশোধনী করা হচ্ছে যাতে প্রক্রিয়াগুলো সহজ করা যায় এবং স্বয়ংক্রিয়তা বাড়ানো যায়।
এনবিআর চেয়ারম্যানের মতে, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে রাজস্ব সংগ্রহ ১৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এনবিআর এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কাজ করছে। এই উদ্যোগগুলো দেশের রাজস্ব সংগ্রহ বাড়াতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এই উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কাজ করা সহজ হবে। এনবিআরের এই পদক্ষেপ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এনবিআরের এই উদ্যোগ দেশের ব্যবসায় খাতের জন্য একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলো সহজে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে পারবে এবং রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি পাবে। এনবিআরের এই পদক্ষেপ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এই উদ্যোগ দেশের রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের রাজস্ব সংগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য কাজ করা সহজ হবে। এনবিআরের এই পদক্ষেপ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।



