দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন আজ দেশের নাগরিকদের আগামী জাতীয় নির্বাচনে দুর্নীতিবাজ প্রার্থীদের প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভোটাররা যদি দুর্নীতিবাজ ও শোষণকারী প্রার্থীদের প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে দুর্নীতি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।
আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে কমিশনের সদর দপ্তরে একদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বেলুন উড়তে শুরু হয়।
আজ ২৩তম আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস। এই বছরের বিষয়বস্তু হল ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ বিশ্ব’। প্রতি বছরের মতো এই বছরও দেশব্যাপী, ঢাকা সহ, দুর্নীতি দমন কমিশন এই দিবসটি পালন করছে।
মোমেন বলেন, দুর্নীতি সমাজের সকল স্তরে প্রবেশ করেছে। তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজদের জন্য প্রতিদিনই উৎসব, কিন্তু দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইকারীদের জন্য শুধু একদিন। এই পরিস্থিতিতে তাদের নিয়ন্ত্রণে আনা অসম্ভব।
তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তরুণদের অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ আলী আকবর আজিজি ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদও উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর একটি মানববন্ধন গঠন করা হয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য, যাতে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ ছিল।
জাতিসংঘ ২০০৩ সালে ডিসেম্বর ৯ তারিখকে আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশনের (ইউএনসিএসি) মাধ্যমে জাতিসংঘ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছে।
ইউএনসিএসি-তে স্বাক্ষরকারী বাংলাদেশ ২০০৭ সাল থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে এই দিবসটি পালন করছে, যখন সরকার ২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি পালন শুরু করে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের পাশাপাশি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)ও এই দিবসটি পালন করছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সকলকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মোমেন বলেন, দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠনে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
দুর্নীতি বিরোধী দিবসে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে মানুষকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সচেতন করা হয়।
দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালনের মাধ্যমে দেশের দুর্নীতি মুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করা হয়। এই লক্ষ্যে সকলকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠনে সরকার, বেসরকারি সংস্থা ও সাধারণ মানুষসহ সকলকে একত্রিত হওয়ার প্রয়োজন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সকলকে সম্মিলিত প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে।
দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালনের মাধ্যমে দেশের



