অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বিশ্বকে একটি সুসংবাদ দেওয়ার সময় একটি দুঃসংবাদও দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ পুনঃবার্সন ও সতর্ক অপেক্ষার পর অবশেষে এবারের অ্যাশেজে পাওয়া যাবে প্যাট কামিন্সের প্রথম ছোঁয়া। অ্যাডিলেইড টেস্টেই মাথায় ব্যাগি গ্রিন আর গায়ে ব্লেজার চাপিয়ে টস করতে নামবেন অস্ট্রেলিয়ান নিয়মিত অধিনায়ক।
তবে দুঃসংবাদ আছে জশ হেইজেলউডকে নিয়ে। প্রথম দুই টেস্টে চোটের কারণে বাইরে থাকা অভিজ্ঞ পেসার ছিটকে গেছেন পরের তিন টেস্ট থেকেও। দলের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই সদস্যকে ছাড়াই প্রথম দুই টেস্টে ইংল্যান্ডকে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়।
১৭ ডিসেম্বর শুরু অ্যাডিলেইড টেস্টে তারা মাঠে নামবে আরও একবার অ্যাশেজ ধরে রাখা নিশ্চিত করতে। সেই লড়াইয়ে কামিন্সকে ফিরে পাওয়া অস্ট্রেলিয়ার সম্ভাবনাকেই করে তুলবে আরও উজ্জ্বল। গত জুলাইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজে টেস্ট সিরিজের পর কোনো ধরনের ক্রিকেটেই তিনি খেলতে পারেননি চোটের কারণে।
গত টেস্টে ব্রিজবেনে শেষ সময়ে একাদশে ঢোকার একটি সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তার। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেয়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। তার অনুপস্থিতিতে দলকে দারুণভাবে নেতৃত্ব দেন স্টিভেন স্মিথ।
তবে কামিন্স তো শুধু অধিনায়কই নন, তিনশর বেশি উইকেট শিকারি অভিজ্ঞ পেসারও। অস্ট্রেলিয়ার কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড মঙ্গলবার নিশ্চিত করলেন কামিন্সের ফেরা। গত পাঁচ মাসে কোনো ম্যাচ না খেললেও ৩২ বছর বয়সী ক্রিকেটারের প্রস্তুতিতে ঘাটতি নেই বলেই মনে করেন কোচ।
হেইজেলউডকে নিয়ে আগে আশার কথা শুনিয়েছিলেন কোচ। তিনি বলেছিলেন, অ্যাশেজের কোনো এক পর্যায়ে অবশ্যই দেখা যাবে এই পেসারকে। কিন্তু হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট সারিয়ে ওঠার চেষ্টায় নতুন করে একিলিসের চোটে পড়েছেন তিনি।
কোচই এবার নিশ্চিত করলেন ৩৪ বছর বয়সী পেসারের ছিটকে পড়ার খবর। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, জশ এবারের অ্যাশেজের অংশ হতে পারছে না। ওর জন্য এটা সত্যিই হতাশা।
গোটা দুয়েক ধাক্কা এসেছে, যা আমাদের জন্য ছিল অপ্রত্যাশিত। আমরা ভেবেছিলাম, এই সিরিজে ওর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।
অ্যাশেজের পরবর্তী ম্যাচগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যেই সিরিজে এগিয়ে রয়েছে। কামিন্সের ফেরা তাদের সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দেবে।
অ্যাশেজের পরবর্তী ম্যাচগুলো নির্ধারণ করবে সিরিজের ভাগ্য। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড উভয় দলই জয়ের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত।
অ্যাশেজের পরবর্তী ম্যাচগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড উভয় দলই জয়ের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত।
অ্যাশেজের পরবর্তী ম্যাচগুলো নির্ধারণ করবে সিরিজের ভাগ্য। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড উভয় দলই জয়ের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত।
অ্যাশেজের পরবর্তী ম্যাচগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড উভয় দলই জয়ের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত।
অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড উভয় দলই জয়ের জন্য সব কিছু করতে প্রস্তুত। অ্যাশেজের পরবর্তী ম্যাচগুলো নির্ধারণ করবে সিরিজের ভাগ্য।
অ্যাশেজের পরবর্ত



