বিজয়ের মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পাকিস্তান ও রাজাকারদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেছে। ডাকসু ভবনের প্রবেশপথে এবং তিনটি হলের প্রবেশপথে পাকিস্তানের পতাকাযুক্ত স্টিকার লাগানো হয়েছে।
স্টিকারগুলোতে ‘নো কম্প্রোমাইজ উইথ রাজাকার’ এবং ‘রাজাকারের দুই গালে, জুতা মারো তালে তালে’ স্লোগান লেখা রয়েছে। এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতে এবং পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করার জন্য।
ছাত্রদলের হল ইউনিটের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কারিব চৌধুরী বলেছেন, ‘যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জানাতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। এটি পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের প্রতি বাংলাদেশি জনগণের ঘৃণা ও ক্ষোভের প্রতিফলন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই উদ্যোগটি নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে ধারণ করার জন্য। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। এটি পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকারদের প্রতি বাংলাদেশি জনগণের ঘৃণা ও ক্ষোভের প্রতিফলন ঘটাতে পারে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ঘটনাটির প্রভাব কতটা হবে তা ভবিষ্যতে দেখা যাবে। তবে এটি নিশ্চিত যে এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই উদ্যোগটি নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধকে ধারণ করার জন্য। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ঘটনাটির প্রভাব কতটা হবে তা ভবিষ্যতে দেখা যাবে। তবে এটি নিশ্চিত যে এই ঘটনাটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে।



