মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নাগরিকদের দ্বিতীয় দলকে নির্বাসন দিয়েছে। এই নির্বাসন প্রক্রিয়াটি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে ঘটেছে।
আরিজোনার মেসা থেকে একটি চার্টার্ড বিমান রবিবার ইরানের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছে। এই বিমানে ৫০ জনেরও বেশি ইরানি নাগরিক ছিলেন। তারা কায়রো এবং কুয়েতের মধ্য দিয়ে ইরানে পৌঁছেছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই নির্বাসনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মার্কিন অভিবাসন কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তার কারণে এই বিষয়ে কিছু বলতে পারেনি।
সেপ্টেম্বর মাসে প্রথমবারের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইরানের নাগরিকদের নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল। এটি ছিল ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এক বিরল সহযোগিতার উদাহরণ।
অনেক ইরানি নাগরিক বলেন যে তারা দেশত্যাগ করেছেন কারণ তারা দেশে নির্যাতনের ভয় পান।
ইরানে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী এবং এলজিবিটি সম্প্রদায়ের সদস্যরা আইনি ও সামাজিক নিপীড়নের শিকার হন।
ইরানি কর্তৃপক্ষ এই নির্বাসন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেছে। ইরানের একজন কনস্যুলার কর্মকর্তা বলেছেন যে নির্বাসিত ব্যক্তিরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতির পরিবর্তনের পর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
তবে একজন বন্দী বিবিসিকে বলেছেন যে সকল নির্বাসিত ব্যক্তি দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেননি।
একজন ব্যক্তি যিনি নির্বাসনের তালিকায় ছিলেন, তিনি বিবিসিকে বলেছেন যে তিনি এবং তার সঙ্গী এই বছর মেক্সিকো থেকে পায়ে হেঁটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। তিনি বলেছেন যে তিনি ইরানে ফেরার ভয় পান কারণ তিনি তার জীবনের জন্য ভয় পান।
এই নির্বাসন প্রক্রিয়াটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ঘটেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সম্পর্ক বেশ উত্তেজনাপূর্ণ। এই নির্বাসন প্রক্রিয়াটি এই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা এবং এর পরিণতি বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা এই পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি এবং পরবর্তী উন্নয়ন সম্পর্কে আপনাকে অবহিত করব।



