চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি পুনরায় শুরু হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে সারাদিনে পর্যায়ক্রমে ভারতীয় ট্রাকে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর সোনামসজিদ দিয়ে ৪১৯ মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে।
বেসরকারি বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ার পরই প্রথম চালানটি রবিবার সন্ধ্যায় বন্দরে এসে পৌঁছে। এরপর সোমবার সকাল থেকেই ভারতীয় পেঁয়াজ এই বন্দর দিয়ে আসতে শুরু করে। সোমবার সারাদিনে ৪১৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ ভারত থেকে বাংলাদেশে এসেছে।
সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক জানিয়েছেন, সোমবার সারাদিনে ৪১৯ মেট্রিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। এদিন নতুন করে এই বন্দর দিয়ে ১০ জন ব্যবসায়ীর বিপরীতে ২৭টি আইপি ইস্যু হয়েছে এবং ২৯৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
দেশের বাজারে যখন পেঁয়াজের দাম ঊর্ধ্বমুখী ঠিক সেই সময় সরকারের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা ও ভোক্তারা। তাদের দাবি, এ আমদানি অব্যাহত থাকলে বাজারে সরবরাহ বাড়বে, দাম কমে আসবে এবং বাজার স্থিতিশীল হবে। পাশাপাশি নতুন দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে না আসা পর্যন্ত আমদানি চালু রাখারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
এই আমদানির ফলে বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে এবং দাম কমে আসবে। এটি ভোক্তাদের জন্য একটি স্বাগতযোগ্য সিদ্ধান্ত। তবে, দেশীয় পেঁয়াজ উৎপাদনকারীদের জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তাই, সরকারকে দেশীয় পেঁয়াজ উৎপাদনকারীদের সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এই আমদানির ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এটি দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সাহায্য করবে এবং মুদ্রাবাজারকে স্থিতিশীল করবে। তবে, সরকারকে এই আমদানির উপর যথাযথ নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে যাতে দেশীয় পেঁয়াজ উৎপাদনকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।
অবশেষে, এই আমদানি বাংলাদেশের বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়াতে এবং দাম কমাতে সাহায্য করবে। তবে, সরকারকে দেশীয় পেঁয়াজ উৎপাদনকারীদের সহায়তা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে এবং এই আমদানির উপর যথাযথ নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।



