ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। তিনি ছিলেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য নিউ নেশন’-এর প্রকাশক।
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ২০২৩ সালের এই দিনে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি এক বছরের বেশি সময় ধরে ক্যানসার সংক্রান্ত শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।
আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় আজিমপুর কবরস্থানে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও কুরআনখানি অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া মতিঝিলের ১, আর. কে. মিশন রোডের ইত্তেফাক ভবনে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।
বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনও ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের জীবন ও কর্মের স্মরণে আলাদা দোয়া ও আলোচনাসভার আয়োজন করবে। বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্টস ফর হিউম্যান রাইটস আগামীকাল বুধবার সকাল ১১টায় তোপখানা রোডের প্রেস কাউন্সিল হলে মইনুল হোসেনের জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করতে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী, কলামিস্ট ও লেখক। তিনি ছিলেন আইন, ন্যায্যতা, গণতন্ত্র ও মানবতার পক্ষের সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব।
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ১৯৪০ সালের জানুয়ারি মাসে পিরোজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর আইন বিষয়ে উচ্চতর পড়াশোনা করতে লন্ডনে যান। ১৯৬৫ সালে দেশে ফিরে তিনি ঢাকা বার কাউন্সিলে আইন পেশা শুরু করেন।
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন ১৯৭৩ সালে ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে ১৯৭৫ সালের মে মাসে গণতন্ত্র বিলুপ্তি এবং শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক একদলীয় ব্যবস্থা বাকশাল গঠনের প্রতিবাদে তিনি জেনারেল এম এ জি ওসমানীর সঙ্গে পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করেন।
ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মরণে ও তার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হচ্ছে।



