মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি) স্টকারওয়্যার প্রস্তুতকারক স্কট জাকারম্যানের উপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে তিনি আর কোনো নজরদারি সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারবেন না।
এফটিসি স্কট জাকারম্যানের একটি আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে, যেখানে তিনি নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা সংশোধন চেয়েছিলেন। এই নিষেধাজ্ঞাটি ২০২১ সালে আরোপ করা হয়েছিল, যার ফলে স্কট জাকারম্যান কোনো নজরদারি সফটওয়্যার, পরিষেবা বা ব্যবসায় জড়িত হতে পারবেন না।
এফটিসি জানিয়েছে যে স্কট জাকারম্যানের কোম্পানি স্পাইফোন একটি নিরাপত্তা লোপের কারণে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছিল। এই তথ্যের মধ্যে ছিল ছবি, টেক্সট মেসেজ, অডিও রেকর্ডিং এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য।
এফটিসির এই সিদ্ধান্তের ফলে স্কট জাকারম্যানের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে। তিনি এখন আর কোনো নজরদারি সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারবেন না, যা তার আর্থিক পরিস্থিতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
এই ঘটনাটি নজরদারি সফটওয়্যারের ব্যবহার এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এফটিসির এই সিদ্ধান্ত নজরদারি সফটওয়্যার প্রস্তুতকারকদের জন্য একটি সতর্কতা হিসেবে কাজ করবে।
এফটিসির এই সিদ্ধান্তের ফলে ভবিষ্যতে নজরদারি সফটওয়্যারের ব্যবহার এবং নিরাপত্তা নিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
এফটিসির এই সিদ্ধান্ত নজরদারি সফটওয়্যার প্রস্তুতকারকদের জন্য একটি সতর্কতা হিসেবে কাজ করবে। এটি তাদেরকে নিরাপত্তা নিয়ে আরও সচেতন হতে এবং ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
এই ঘটনাটি নজরদারি সফটওয়্যারের ব্যবহার এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এফটিসির এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নজরদারি সফটওয়্যারের ব্যবহার এবং নিরাপত্তা নিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফটিসির এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। এটি নজরদারি সফটওয়্যার প্রস্তুতকারকদের জন্য একটি সতর্কতা হিসেবে কাজ করবে।
এই ঘটনাটি নজরদারি সফটওয়্যারের ব্যবহার এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এফটিসির এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নজরদারি সফটওয়্যারের ব্যবহার এবং নিরাপত্তা নিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফটিসির এই সিদ্ধান্তের ফলে নজরদারি সফটওয়্যার প্রস্তুতকারকদের জন্য একটি সতর্কতা হিসেবে কাজ করবে। এটি তাদেরকে নিরাপত্তা নিয়ে আরও সচেতন হতে এবং ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
এই ঘটনাটি নজরদারি সফটওয়্যারের ব্যবহার এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এফটিসির এই সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে নজরদারি সফটওয়্যারের ব্যবহার এবং নিরাপত্তা নিয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফটিসির এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। এ



