বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে বিএমইউর মিল্টন হলে এক অনুষ্ঠানে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) সম্পর্কে তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয় যে, অযথা অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার, নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া, অসম্পূর্ণ ডোজ গ্রহণ এবং প্রাণিসম্পদে অ্যান্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে জীবাণুগুলো ধীরে ধীরে ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধী হয়ে উঠছে।
মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড ইমিউনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আবু নাসের ইবনে সাত্তার বলেন, এএমআর বর্তমানে বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের অন্যতম বড় হুমকি। অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারের ফলে আগে যে রোগ সহজেই সেরে যেত, এখন তা জটিল হয়ে যাচ্ছে। চিকিৎসার খরচ বাড়ছে, আইসিইউ ভর্তি থেকে মৃত্যু—সবই বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহারের ফলে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বাড়ার কারণে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষ মারা যাচ্ছে। এই সমস্যা মোকাবেলার জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অসম্পূর্ণ ডোজ গ্রহণ এড়িয়ে চলা উচিত।
এই সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার, স্বাস্থ্য বিভাগ, ডাক্তার ও রোগীদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধ করতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হবে। তাহলেই এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে।
অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স একটি বড় সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। অসম্পূর্ণ ডোজ গ্রহণ এড়িয়ে চলা উচিত। তাহলেই এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে।
আমরা সবাইকে অনুরোধ করি, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধ করার জন্য সচেতন হোক। ডাক্তারের পরামর্শ নিন। অসম্পূর্ণ ডোজ গ্রহণ এড়িয়ে চলুন। তাহলেই আমরা এই সমস্যা সমাধান করতে পারব।



