নেটফ্লিক্স তাদের নতুন ওয়েব সিরিজ ‘ব্ল্যাক ওয়ারেন্ট’ এর ঘোষণা দিয়েছে। এই সিরিজটি ভারতের সবচেয়ে বড় কারাগার তিহার জেলের পটভূমিতে নির্মিত। একজন নতুন জেলার এখানে অনেক অজানা গল্প ও নৈতিক দ্বিধা আবিষ্কার করেন।
এই সিরিজটি সুনীল গুপ্তা ও সুনেত্রা চৌধুরীর ‘ব্ল্যাক ওয়ারেন্ট: কনফেশনস অফ এ তিহার জেলার’ বইয়ের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। এটি ১৯৮০ এর দশকে সেট করা হয়েছে এবং একজন নতুন জেলারের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বলা হয়েছে। এই সিরিজটি তিহার জেলের অভ্যন্তরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা ও ক্ষমতার খেলা তুলে ধরে।
ভিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে এই সিরিজটির নির্মাণের জন্য নেটফ্লিক্স, অ্যাপ্লজ এন্টারটেইনমেন্ট ও কনফ্লুয়েন্স মিডিয়ার সাথে কাজ করছেন। তিনি বলেছেন, ‘ব্ল্যাক ওয়ারেন্ট’ বইটি খুবই আসল ও তীব্র, এবং এটি অবিলম্বে জীবন্ত হতে চায়। আমি এই গল্পটি বলার জন্য একটি ভালো দল পেয়েছি।
অ্যাপ্লজ এন্টারটেইনমেন্টের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর সমীর নায়ার বলেছেন, ‘ব্ল্যাক ওয়ারেন্ট’ তিহার জেলের অজানা ইতিহাস নিয়ে গড়ে উঠেছে, যা খুব কমই এত গভীরভাবে অন্বেষণ করা হয়েছে। ভিক্রমাদিত্য মোতওয়ানের সাথে কাজ করা একটি অনন্য দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এসেছে, যা গল্পটিকে আরও বাস্তবসম্মত করে তুলেছে। নেটফ্লিক্সের সাথে অংশীদারিত্ব করে আমরা এই শক্তিশালী গল্পটি বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে পারব।
নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়ার সিরিজ হেড তন্যা বামি বলেছেন, ‘আমরা ২০২৫ সাল শুরু করতে চাই একটি সম্পূর্ণ নতুন ও অনন্য সিরিজ দিয়ে। সত্য অপরাধ একটি ধারা যা আমাদের দর্শকরা খুব পছন্দ করে। এই সিরিজের পিছনে রয়েছেন ভিক্রমাদিত্য মোতওয়ানে, যিনি একজন অনন্য গল্পকার।
এই সিরিজটি নেটফ্লিক্সের জন্য একটি নতুন ধারা শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি দর্শকদের একটি নতুন অভিজ্ঞতা দেবে এবং তাদেরকে একটি অজানা জগতের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবে। এই সিরিজটি নেটফ্লিক্সের মানকে আরও উন্নত করবে এবং দর্শকদের আরও বেশি আকর্ষণ করবে।
এই সিরিজটি নেটফ্লিক্সের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। এটি দেখাবে যে নেটফ্লিক্স নতুন ও অনন্য গল্প বলার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সিরিজটি নেটফ্লিক্সের দর্শকদের জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা হবে এবং তাদেরকে আরও বেশি আকর্ষণ করবে।
এই সিরিজটি ভারতীয় ওয়েব সিরিজের জন্য একটি নতুন মান স্থাপন করবে। এটি দেখাবে যে ভারতীয় ওয়েব সিরিজ বিশ্বমানের হতে পারে। এই সিরিজটি ভারতীয় ওয়েব সিরিজের জন্য একটি নতুন যুগ শুরু করবে এবং এটি দেশের সাংস্কৃতিক পরিচয়ের একটি অংশ হবে।



