উবার সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে তারা মার্কেটারদের কাছে ট্রিপ এবং টেকঅয়েট ডেটা বিক্রি শুরু করবে। এই ডেটা বিক্রির জন্য উবার একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে, যার নাম উবার ইন্টেলিজেন্স। এই প্ল্যাটফর্মটি গ্রাহকদের ট্রিপ এবং টেকঅয়েট ডেটা সংগ্রহ করবে এবং মার্কেটারদের কাছে বিক্রি করবে।
এই ডেটা সংগ্রহের জন্য উবার একটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করবে, যার নাম লাইভরাম্প। এই প্ল্যাটফর্মটি মার্কেটারদের তাদের গ্রাহকদের ডেটা উবারের ডেটার সাথে একত্রিত করতে দেবে, যাতে তারা তাদের গ্রাহকদের পছন্দ এবং আচরণ সম্পর্কে আরও ভালো ধারণা পায়।
উবার জানিয়েছে যে এই ডেটা বিক্রির মাধ্যমে তারা তাদের বিজ্ঞাপন ব্যবসা আরও বৃদ্ধি করতে পারবে। উবারের বিজ্ঞাপন ব্যবসা ইতিমধ্যেই একটি বড় অঙ্কে পৌঁছেছে, এবং এই ডেটা বিক্রির মাধ্যমে তারা আরও বেশি রাজস্ব আয় করতে পারবে।
উবারের এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকদের গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কিছু গ্রাহক ভয় পাচ্ছেন যে তাদের ব্যক্তিগত ডেটা অন্যদের কাছে বিক্রি হবে, যা তাদের গোপনীয়তার লঙ্ঘন হবে।
উবার জানিয়েছে যে তারা গ্রাহকদের ডেটা সুরক্ষিত করার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। তারা গ্রাহকদের ডেটা অনামীকরণ করবে, যাতে কেউ সেই ডেটা থেকে গ্রাহকদের পরিচয় নির্ণয় করতে না পারে।
উবারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে একটি নতুন প্রবণতা তৈরি হবে। অন্যান্য কোম্পানিগুলোও তাদের গ্রাহকদের ডেটা বিক্রি শুরু করতে পারে, যা বাজারে একটি নতুন ধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি করবে।
উবারের এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকদের গোপনীয়তা নিয়ে আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি হবে। গ্রাহকদের উচিত তাদের ব্যক্তিগত ডেটা সুরক্ষিত করার জন্য সচেতন হওয়া, এবং তারা যে কোম্পানিগুলোর সাথে লেনদেন করছেন তাদের গোপনীয়তা নীতি সম্পর্কে জানতে হবে।
উবারের বিজ্ঞাপন ব্যবসা ইতিমধ্যেই একটি বড় অঙ্কে পৌঁছেছে, এবং এই ডেটা বিক্রির মাধ্যমে তারা আরও বেশি রাজস্ব আয় করতে পারবে। উবারের এই সিদ্ধান্তের ফলে বাজারে একটি নতুন প্রবণতা তৈরি হবে, এবং গ্রাহকদের গোপনীয়তা নিয়ে আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি হবে।
উবারের এই সিদ্ধান্তের ফলে অন্যান্য কোম্পানিগুলোও তাদের গ্রাহকদের ডেটা বিক্রি শুরু করতে পারে, যা বাজারে একটি নতুন ধরনের প্রতিযোগিতা তৈরি করবে। গ্রাহকদের উচিত তাদের ব্যক্তিগত ডেটা সুরক্ষিত করার জন্য সচেতন হওয়া, এবং তারা যে কোম্পানিগুলোর সাথে লেনদেন করছেন তাদের গোপনীয়তা নীতি সম্পর্কে জানতে হবে।
উবারের এই সিদ্ধান্তের ফলে গ্রাহকদের গোপনীয়তা নিয়ে আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি হবে, এবং বাজারে একটি নতুন প্রবণতা তৈরি হবে। গ্রাহকদের উচিত তাদের ব্যক্তিগত ডেটা সুরক্ষিত করার জন্য সচেতন হওয়া, এবং তারা যে কোম্পানিগুলোর সাথে লেনদেন করছেন তাদের গোপনীয়তা নীতি সম্পর্কে জানতে হবে।



