অন্ধ্রপ্রদেশের ডেপুটি চিফ মিনিস্টার এবং অভিনেতা পবন কল্যাণ উড়ুপিতে এক মাসব্যাপী ভগবদ্গীতোৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে ‘অভিনব কৃষ্ণদেবরায়’ সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। তিনি আধ্যাত্মিক মূল্যবোধের প্রচারে তার অবদানের জন্য এই সম্মান পেয়েছেন।
পবন কল্যাণ সেখানে উপস্থিত জনসমাবেশের উদ্দেশ্যে এক শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন। তিনি জেনারেশন জেডকে ভগবদ্গীতাকে একটি আচার-অনুষ্ঠানমূলক গ্রন্থ না বলে একটি ব্যবহারিক নির্দেশিকা হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন, যা চাপ, বিভ্রান্তি এবং মানসিক ক্লান্তির সময় পরিষ্কারভাবে পথ দেখাতে পারে।
তিনি বর্তমান ডিজিটাল বিশ্বকে ‘কুরুক্ষেত্র’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ভগবদ্গীতাকে আধুনিক জটিলতার মধ্য দিয়ে নেভিগেট করার জন্য একজন পরামর্শদাতা এবং নৈতিক দিকনির্দেশনা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি এর শিক্ষার ধর্মীয় সীমানার বাইরেও প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরেছেন, বলেছেন যে এটি হতাশা, একাকীত্ব এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার দ্বিধাগুলির সময় একটি ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
পবন কল্যাণ উড়ুপিকে ‘আধ্যাত্মিকতার শক্তিকেন্দ্র’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং ভগবদ্গীতার শিক্ষা প্রচারের জন্য পুট্টিগে মঠের প্রচেষ্টাকে প্রশংসা করেছেন। তিনি এক কোটি হাতে লেখা ভগবদ্গীতার অনুলিপি তৈরি ও বিতরণের উদ্যোগে যোগ দিয়েছেন।
পবন কল্যাণের মতে, ভগবদ্গীতা জীবনের এক বিজ্ঞান, যা সফলতা এবং ব্যর্থতা উভয় ক্ষেত্রেই ভারসাম্য শিক্ষা দেয়। তিনি বলেছেন, এই নীতিগুলি তার ব্যক্তিগত জীবন এবং তার পাবলিক জীবন উভয়কেই প্রভাবিত করেছে। তিনি ভগবদ্গীতাকে ‘মানবতার সর্বোচ্চ ম্যানিফেস্টো’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, এর দার্শনিক সারমর্ম এবং ভারতীয় সংবিধানে নিহিত মূল্যবোধের মধ্যে সম্পর্ক তুলে ধরেছেন।
পবন কল্যাণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিনকে ভগবদ্গীতার একটি অনুলিপি উপহার দেওয়ার পদক্ষেপকে প্রশংসনীয় বলেছেন। তিনি বলেছেন, এটি বিশ্বব্যাপী উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের একটি সময়োপযোগী স্মৃতিচিহ্ন।
পবন কল্যাণের এই সম্মান এবং তার ভাষণ ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা এবং প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে। তার কথাগুলি আধুনিক সময়ে ভগবদ্গীতার প্রাসঙ্গিকতা সম্পর্কে একটি গভীর বোঝাপড়া প্রদান করে, যা সকল বয়সের মানুষের জন্য একটি মূল্যবান নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করতে পারে।
পবন কল্যাণের এই সম্মান গ্রহণ এবং তার ভাষণ ভারতীয় সমাজে আধ্যাত্মিকতা ও সংস্কৃতির গুরুত্ব তুলে ধরে। এটি আমাদেরকে আমাদের ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে সম্মান করার এবং তাদের শিক্ষা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগ করার গুরুত্ব সম্পর্কে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে।
পবন কল্যাণের ভাষণ আমাদেরকে ভগবদ্গীতার শিক্ষাগুলি পুনরায় পরীক্ষা করতে এবং আমাদের জীবনে তাদের প্রয়োগ কিভাবে করা যায় সে সম্পর্কে চিন্তা করতে অনুপ্রাণিত করে। এটি আমাদেরকে আ



