জাতীয় নাগরিক দল (এনসিপি) বলেছে, জামায়াত-ই-ইসলামি বাংলাদেশের রাজনীতিতে সহিংসতা ও আধিপত্যবাদী রাজনীতির পুরনো সংস্কৃতিতে নতুন একজন খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হতে চাইছে। এনসিপি এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ করেছে।
এনসিপি নেতা আখতার হোসেন সম্প্রতি বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, জুলাই উত্থানের পর তারা আশা করেছিলেন বিএনপি ও জামায়াত নতুন ধরনের রাজনীতি গ্রহণ করবে। কিন্তু এখনও এই দুই দল অস্ত্রের ওপর নির্ভর করছে। এটা আমরা যে বাংলাদেশকে কল্পনা করেছিলাম তার সাথে মেলে না।
জামায়াত আখতার হোসেনের এই মন্তব্যকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করেছে এবং এই মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। এনসিপি তাদের বিবৃতিতে আখতার হোসেনের মন্তব্যকে সমর্থন করেছে এবং বলেছে এটি প্রমাণ-ভিত্তিক।
এনসিপি পাবনার ঈশ্বরদীতে সম্প্রতি সংঘটিত সহিংসতার ঘটনার উল্লেখ করেছে। এনসিপি বলেছে, জামায়াত কর্মী তুষার মণ্ডলকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। এনসিপি বলেছে, জামায়াত বাস্তবতা অস্বীকার করার চেষ্টা করছে এবং দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করছে।
এনসিপি আরও বলেছে, জামায়াত ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে বিভাজনমূলক ও সহিংস রাজনীতির জন্য।
ঢাকার মোহাম্মদপুরে আজকের মা-মেয়ে হত্যাকাণ্ডে নিহত লায়লা আফরোজের দেহে প্রায় ৩০টি এবং তার ১৫ বছর বয়সী মেয়ে নাফিসার দেহে অন্তত ৬টি ছুরিকাঘাত ছিল—এ তথ্য দিয়েছে পুলিশ ও মর্গ কর্মকর্তারা।
এনসিপির এই বিবৃতি জামায়াতের প্রতি এক ধরনের সমালোচনা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। জামায়াত এই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় কী বলবে তার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
এনসিপির এই বিবৃতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক নতুন মোড় নিয়ে আসতে পারে। এই বিবৃতির পর জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে এক নতুন ধরনের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এনসিপির এই বিবৃতি এক নতুন মাত্রা যোগ করবে। এই বিবৃতির পর জামায়াত ও এনসিপির মধ্যে এক নতুন ধরনের রাজনৈতিক লড়াই শুরু হতে পারে।



