ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পর্যবেক্ষণের জন্য ৮১টি স্থানীয় পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নিবন্ধনের মেয়াদ থাকবে পাঁচ বছর।
নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক জানিয়েছেন, এবার পর্যবেক্ষক হতে আগ্রহী তিন শতাধিক প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ৮১টি প্রতিষ্ঠানকে চূড়ান্ত করে তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৬ নভেম্বর ৬৬টি এবং দ্বিতীয় ধাপে ১৫টি পর্যবেক্ষক সংস্থাকে ৪ ডিসেম্বর নিবন্ধন দেওয়া হয়। ২০৩০ সাল পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দিতে পারবে।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে সংসদ ও গণভোট একই দিনে হবে। গণভোট পর্যবেক্ষণেরও সুযোগ থাকবে এবার। দুই ভোটের তফসিল চলতি সপ্তাহের শেষে ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সচিব জানিয়েছেন, তফসিল ঘোষণার আগে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের অবস্থানগতভাবে যে প্রস্তুতিটা ছিল তা চূড়ান্ত এবং ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করে লিংক দেওয়া হয়েছে উপজেলা পর্যন্ত।
তফসিল বিষয়ে ১০ ডিসেম্বরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে প্রচারের জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের ভাষণ রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই ৮১টি প্রতিষ্ঠান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পর্যবেক্ষণ করবে। এই নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণ করার জন্য এসব প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পর্যবেক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের পর্যবেক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশন কর্তৃক নিবন্ধনপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন



