22 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeশিক্ষাজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের চাকরি সংস্থানে অগ্রাধিকার কম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের চাকরি সংস্থানে অগ্রাধিকার কম

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের চাকরি সংস্থানে অগ্রাধিকার কম থাকার কারণে তারা চাকরি পাচ্ছে না। এমনকি তাদের একাডেমিক রেকর্ড ভালো হলেও তারা নিম্নমানের স্নাতক হিসেবে বিবেচিত হয়।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না পাওয়া শিক্ষার্থীরা সাধারণত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। এই গবেষণাটি দেশব্যাপী ১,৬৩৯ জন স্নাতক এবং ৫১৫টি কলেজের উপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের একটি গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের মধ্যে ৪৬ শতাংশ স্নাতক হওয়ার ৩-৪ বছর পরেও চাকরি পায় না। এই হার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের মধ্যে মোট বেকারত্বের হারের চেয়ে বেশি।

বাংলাদেশে প্রায় ৯ লাখ বেকার স্নাতক রয়েছে। গত পাঁচ বছরে মোট বেকারত্বের হার কমেছে, কিন্তু উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বাড়ছে। ২০২৪ সালে এই হার ১৩.৫ শতাংশে পৌঁছেছে, যা সবচেয়ে বেশি।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৪৬ শতাংশ, যা একটি গুরুতর সমস্যা। এটি দেখায় যে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং চাকরি বাজারের মধ্যে একটি বড় পার্থক্য রয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩৮ শতাংশ, এবং তাদের গড়ে ১০ মাস চাকরি খুঁজতে হয়। কিন্তু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের অনেকেই অনেক বেশি সময় চাকরি খুঁজতে হয়, এবং অনেকেই চাকরি পায় না।

এই সমস্যার সমাধান করতে হলে শিক্ষা ব্যবস্থা এবং চাকরি বাজারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে, এবং চাকরি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হবে।

শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হওয়ার জন্য কী করতে পারে? তারা কীভাবে তাদের দক্ষতা বাড়াতে পারে? তারা কীভাবে চাকরি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী নিজেদেরকে প্রস্তুত করতে পারে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে বের করার জন্য আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং চাকরি বাজারের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হবে, এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে।

আমরা একসাথে কাজ করে এই সমস্যার সমাধান করতে পারি। আমরা শিক্ষার্থীদের তাদের কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত করতে পারি, এবং চাকরি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে পারি।

আসুন একসাথে কাজ করি এবং এই সমস্যার সমাধান করি। আমরা পারি এবং আমরা করব।

৯১/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ডেইলি স্টার
শিক্ষা প্রতিবেদক
শিক্ষা প্রতিবেদক
AI-powered শিক্ষা content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments