বাংলাদেশে তামাক সেবন রোধে সরকারকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার আহ্বান জানিয়েছে তিনটি স্বাস্থ্য সংস্থা। জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি একটি যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশে তামাক সেবন হলো প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর প্রধান কারণ। প্রতি বছর তামাক সম্পর্কিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় ১৩০,০০০ মানুষ মারা যায়। এছাড়াও, তামাক সেবন অসংখ্য অসুস্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, যার মধ্যে রয়েছে হার্ট ডিজিজ, ক্যান্সার এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্ট।
বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির গবেষণা অনুযায়ী, প্রায় ১.৫ মিলিয়ন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক সম্পর্কিত রোগে আক্রান্ত। প্যাসিভ স্মোকিং প্রতি বছর প্রায় ২৫,০০০ মানুষকে হত্যা করে এবং প্রায় ৬১,০০০ শিশুকে প্রভাবিত করে।
এই সংস্থাগুলি তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, তামাক সেবন রোধে এই আইন কঠোর করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক খন্দকার আবদুল আওয়াল রিজভী, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোহিউদ্দিন ফারুক এবং বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আসিফ মুজতবা মাহমুদ এই যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন।
তামাক সেবন রোধে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করা হলে তামাক সেবন রোধে একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারে।
আমরা সবাই তামাক সেবনের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারি। আমরা সরকারকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার জন্য আহ্বান জানাতে পারি। আমরা তামাক সেবন রোধে একটি স্বাস্থ্যকর সমাজ গঠনে অবদান রাখতে পারি।
তাই, আসুন আমরা সবাই তামাক সেবনের বিরুদ্ধে লড়াই করি। আসুন আমরা সরকারকে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার জন্য আহ্বান জানাই। আসুন আমরা তামাক সেবন রোধে একটি স্বাস্থ্যকর সমাজ গঠন করি।



