চাঁদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বিল্লাল হোসেন মিয়াজী সোমবার এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের জানান, তিনি একজন সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। তিনি বলেন, তখন তিনি ক্লাস ফোরে পড়তেন এবং তার এলাকার ছোট ছেলেরা মিলে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চাল-ডাল সংগ্রহ করতেন এবং খাবার পৌঁছে দিতেন।
চাঁদপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিল্লাল হোসেন মিয়াজী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পর তাদের বাঁকা চোখে দেখা হচ্ছে।
চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ প্রাঙ্গণ থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ স্মৃতি ভাস্কর্য ‘অঙ্গীকার’-এর পাদদেশে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা বিএনপি, জেলা জামায়াতে ইসলামীর পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। এরপর শহীদ ও তাঁদের পরিবারের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. নাজমুল ইসলাম সরকারসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
বিল্লাল হোসেন মিয়াজীর এই মন্তব্য চাঁদপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। তার এই মন্তব্যের পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
চাঁদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর এই ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করছেন। তারা বলছেন, এই ঘোষণা চাঁদপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
চাঁদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর এই ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা বলছেন, এই ঘোষণা চাঁদপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।
চাঁদপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর এই ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করছেন। তারা বলছেন, এই ঘোষণা চাঁদপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।



