বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আগামী জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের প্রেক্ষিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে জামায়াতের মহাসচিব মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সাথে এক বৈঠকে এই উদ্বেগের কথা তুলে ধরা হয়।
জামায়াতের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার নির্বাচন কমিশনারের সাথে এক ঘণ্টা অর্ধেক আলোচনায় বিভিন্ন নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করে। পরওয়ার জানান, দলের রাজনৈতিক কার্যক্রমে বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। দলীয় সভা ও মতামত বিনিময় সভায় হামলা, নারী কর্মীদের হয়রানি ও আক্রমণের ঘটনা ঘটছে।
জামায়াতের নেতারা নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছেন যাতে নির্বাচনের তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করা হয়। তারা আরও জানান, নাগরিকরা একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জামায়াতকে আশ্বস্ত করেছে যে তারা একটি ন্যায্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।
জামায়াত নেতারা নির্বাচন কমিশনকে বিভিন্ন বিষয়ে নজর দিতে বলেছেন, যার মধ্যে রয়েছে ভোট কেন্দ্রে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ও সামরিক বাহিনীর মোতায়েন, স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষতা, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সরলীকৃত ভোটার তালিকা প্রক্রিয়া এবং ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন।
নির্বাচন কমিশন জামায়াতকে জানিয়েছে যে তারা নির্বাচনের তারিখ শীঘ্রই ঘোষণা করবে এবং নির্বাচনটি রমজানের আগেই অনুষ্ঠিত হবে। জামায়াত নেতারা আশা করছেন যে নির্বাচন কমিশন তাদের আশ্বাস পালন করবে এবং একটি ন্যায্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশটি একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের জন্য এই নির্বাচনের উপর নির্ভর করছে। জামায়াতের নেতারা আশা করছেন যে নির্বাচন কমিশন তাদের দায়িত্ব পালন করবে এবং একটি ন্যায্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের জনগণ এই নির্বাচনের ফলাফলের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে। তারা আশা করছে যে এই নির্বাচন দেশটির জন্য একটি নতুন সূচনা হবে। জামায়াতের নেতারা আশা করছেন যে নির্বাচন কমিশন তাদের আশ্বাস পালন করবে এবং একটি ন্যায্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।



