আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল-১ (আইসিটি-১) বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ফজলুর রহমানকে অবমাননা মামলা থেকে মুক্তি দিয়েছে। ট্রাইবুনালের বিচারক মো. গোলাম মোর্তুজা মোজাম্মেল এই সিদ্ধান্ত নেন।
ফজলুর রহমান ট্রাইবুনালে হাজির হয়ে অবমাননার জন্য নিষ্পত্তিহীন ক্ষমা চেয়েছেন। ট্রাইবুনালের বিচারক তার আইনজীবীর অনুরোধে ফজলুর রহমানকে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেন। ফজলুর রহমান বলেন, ‘আমি অবমাননাকর কথা বলিনি। আমি ৭৮ বছর বয়সী, আমার এটা প্রথম ভুল। আমি নিষ্পত্তিহীন ক্ষমা চাইতে চাই।’
ট্রাইবুনাল ফজলুর রহমানকে সতর্ক করে বলেছে, ‘আপনার স্বাধীনতা আছে, কিন্তু আপনাকে সীমার মধ্যে থাকতে হবে।’ ট্রাইবুনাল আরও বলেছে, ‘আইসিটি কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সময়ের জন্য নয়, মানবতাবিরোধী অপরাধ যেকোনো সময়ে ঘটতে পারে।’
ট্রাইবুনাল ফজলুর রহমানের ক্ষমা গ্রহণ করে তাকে অবমাননা মামলা থেকে মুক্তি দেয়। এর আগে ট্রাইবুনাল তাকে অবমাননার অভিযোগে ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে হাজির হতে বলেছিল।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বিএনপি ও সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমতে পারে। তবে এই ঘটনার ভবিষ্যত রাজনৈতিক প্রভাব কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া জানানোয় বলেছেন, ‘আমরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তবে আমরা চাই সরকার রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দেবে।’
সরকারের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দেবার বিষয়ে বিবেচনা করছি। তবে আমরা চাই বিএনপি রাজনৈতিক সংলাপে আসুক।’
এই ঘটনার পর বিএনপি ও সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা দেখার বিষয়। তবে একটা বিষয় নিশ্চিত যে এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমাতে এই সিদ্ধান্ত সাহায্য করতে পারে। তবে এই ঘটনার ভবিষ্যত রাজনৈতিক প্রভাব কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটা জটিল বিষয়। এই ঘটনার পর বিএনপি ও সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপ হতে পারে। তবে এই সংলাপের ফলে কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমাতে এই সিদ্ধান্ত সাহায্য করতে পারে। তবে এই ঘটনার ভবিষ্যত রাজনৈতিক প্রভাব কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটা জটিল বিষয়। এই ঘটনার পর বিএনপি ও সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপ হতে পারে। তবে এই সংলাপের ফলে কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা কমাতে এই সিদ্ধান্ত সাহায্য করতে পারে। তবে এই ঘটনার ভবিষ্যত রাজনৈতিক প্রভাব কী হবে তা এখনও অনিশ্চিত।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একটা জটিল বিষয়। এই ঘটনার পর বিএনপি ও সরকারের মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপ হতে পারে। তবে এই সংলাপের ফলে ক



