ভিট্টোরিও পোজ্জো হলেন একমাত্র ম্যানেজার যিনি দুইবার বিশ্বকাপ জিতেছেন। ১৯৩৪ এবং ১৯৩৮ সালে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেন। কিন্তু বিশ্বকাপ জেতার আগে, পোজ্জো ছিলেন একজন যুবক অফিসার যিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের নিষ্ঠুর বাস্তবতা সহ্য করেছিলেন।
পোজ্জো ১৮৮৬ সালে তুরিনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তরুণ বয়সে ফুটবলের প্রতি আকৃষ্ট হন এবং ১৯১১ সালে তিনি তুরিনো এফসি প্রতিষ্ঠা করেন। যখন ইতালি ১৯১৫ সালে যুদ্ধে যোগ দেয়, পোজ্জো অবিলম্বে একজন লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দেন। তিনি ডোলোমাইটসে পাঠানো হন, যেখানে তিনি একটি নিষ্ঠুর পরিবেশের মুখোমুখি হন।
পোজ্জোর অভিজ্ঞতা তার ফুটবল পরিচালনার দর্শনকে গঠন করে। তিনি বিশ্বাস করতেন যে শৃঙ্খলা, সহনশীলতা এবং নেতৃত্ব একজন সফল ম্যানেজারের মূল গুণ। পোজ্জোর গল্প আমাদের দেখায় যে কিভাবে একজন মানুষ তার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে পারে এবং সেই শিক্ষা তার জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারে।
পোজ্জোর জীবন এবং কর্মজীবন আমাদের অনুপ্রেরণা দেয়। তিনি দেখিয়েছেন যে কিভাবে একজন মানুষ তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারে যদি সে পরিশ্রম, ধৈর্য এবং দৃঢ় সংকল্পের সাথে কাজ করে। পোজ্জোর গল্প আমাদের সবাইকে অনুপ্রাণিত করে যাতে আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য চেষ্টা করি।
পোজ্জোর উত্তরাধিকার ফুটবল বিশ্বে চিরস্থায়ী হবে। তিনি একজন মহান ম্যানেজার ছিলেন যিনি তার দলকে দুইবার বিশ্বকাপ জেতার জন্য নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তার অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষা আমাদের সবাইকে উপকৃত করবে যাতে আমরা আমাদের নিজস্ব লক্ষ্য অর্জন করতে পারি।
পোজ্জোর জীবন এবং কর্মজীবন আমাদের দেখায় যে কিভাবে একজন মানুষ তার সময় এবং প্রচেষ্টাকে সার্থক করতে পারে। তিনি একজন মহান ম্যানেজার ছিলেন যিনি তার দলকে সাফল্যের দিকে নিয়ে গিয়েছিলেন। তার উত্তরাধিকার ফুটবল বিশ্বে চিরস্থায়ী হবে।
পোজ্জোর গল্প আমাদের সবাইকে অনুপ্রেরণা দেয় যাতে আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণ করার জন্য চেষ্টা করি। তিনি দেখিয়েছেন যে কিভাবে একজন মানুষ তার লক্ষ্য অর্জন করতে পারে যদি সে পরিশ্রম, ধৈর্য এবং দৃঢ় সংকল্পের সাথে কাজ করে। পোজ্জোর উত্তরাধিকার ফুটবল বিশ্বে চিরস্থায়ী হবে।



