আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল সোমবার এই আদেশ দেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ফজলুর রহমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে ফজলুর রহমানের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রমুখ। অন্যদিকে প্রসিকিউশন পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামসহ অন্য প্রসিকিউটররা।
এর আগে আদালত অবমাননার অভিযোগের ব্যাখ্যা শুনতে ফজলুর রহমানকে আজ সশরীরে হাজিরের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। ৩০ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।
গত ২৩ নভেম্বর একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে শেখ হাসিনার রায় প্রসঙ্গ নিয়ে নানা কথা বলেন তিনি। ৪৯ মিনিটের টকশোটি পেনড্রাইভের মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালে জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন। ট্রাইব্যুনালেও ফজলুর রহমানের বক্তব্যের কিছু অংশ বাজিয়ে শোনানো হয়।
এদিকে গত ৩ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে একটি আবেদন জমা দিয়েছেন ফজলুর রহমান। এ বিষয়ে শুনানির কথা রয়েছে। যা কিছু বলেছেন তা ভুলে বলেছেন বলে স্বীকার করেছেন ফজলুর রহমান। এ জন্য তিনি আদালতের ক্ষমা পেতে চান।
ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার, আদালতের নিরপেক্ষতা ও প্রসিকিউশন প্রসঙ্গে অবমাননাকর মন্তব্য; এই তিনটি কারণে ফজলুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে প্রসিকিউশন। গত ২৬ নভেম্বর এ নিয়ে প্রথম শুনানি হয়। অবশিষ্ট শুনানি শেষে ব্যাখ্যা জানতে ৩০ নভেম্বর বিএনপির এ নেতাকে তলব করেন ট্রাইব্যুনাল।
পাশাপাশি ফজলুর রহমানকে একাডেমিক সার্টিফিকেট ও বার কাউন্সিলের সার্টিফিকেটসহ সশরীরে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে অনেক আলোচনা হচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন এই ঘটনার পর বিএনপির অবস্থান আরও দুর্বল হবে, অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করছেন এই ঘটনা বিএনপির জন্য একটি নতুন সুযোগ তৈরি করবে।
এই ঘটনার পর আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ পাচ্ছে। কেউ কেউ মনে করছেন এই ঘটনা আইনব্যবস্থার একটি বড় বিজয়, অন্যদিকে কেউ কেউ মনে করছেন এই ঘটনা আইনব্যবস্থার একটি বড় ব্যর্থতা।
এই ঘটনার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন তাদের প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। কেউ কেউ এই ঘটনাকে স্বাগত জানাচ্ছে, অন্যদিকে কেউ কেউ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
এই ঘটনার পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে সবাই অপেক্ষায় রয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন এই ঘটনা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে, অন্যদিকে কেউ কেউ



