দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রামীণ এলাকায় একজন কৃষক তার পিক-আপ ট্রাকে করে একটি খামারে প্রবেশ করছেন। খামারের প্রবেশপথে একটি ৪মিটার উঁচু ইলেকট্রিক স্টিল গেট রয়েছে, যার উপরে ধারালো তার রয়েছে। প্রবেশপথে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যা প্রতিটি গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে। খামারটি দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রামীণ এলাকায় অবস্থিত।
এই খামারের মালিক একজন সাদা আফ্রিকানার, যিনি তার স্ত্রী ও দুই কন্যার সাথে খামার পরিচালনা করেন। তিনি তার পুরো নাম প্রকাশ করতে অস্বীকার করেছেন। তার দাদা ও স্ত্রীর দাদা উভয়েই খামারে হামলার শিকার হয়েছিলেন। তিনি তার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্ন।
ফেব্রুয়ারি মাসে, তিনি তার পরিবারের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী মর্যাদা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, তিনি তার পরিবারের জন্য একটি ভালো জীবন চান, এবং তার জন্য তিনি যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত। তিনি বলেছেন, তার আফ্রিকানার জনগোষ্ঠী বিপন্ন।
দক্ষিণ আফ্রিকার সমস্ত সাদা জনগোষ্ঠী একমত নয় যে তারা লক্ষ্যবস্তু। দেশটির উচ্চ অপরাধের হারের কারণে কৃষকরা আক্রান্ত হচ্ছেন। ধারণা করা হচ্ছে যে হাজার হাজার আফ্রিকানার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী মর্যাদা চেয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর করেছেন, যার ফলে আফ্রিকানারদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী মর্যাদা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা জনগোষ্ঠীর উপর এই সিদ্ধান্তের প্রভাব সম্পর্কে বিশ্লেষকরা উদ্বিগ্ন। তারা বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত দক্ষিণ আফ্রিকার জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে। তারা আরও বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা জনগোষ্ঠীর উপর এই সিদ্ধান্তের প্রভাব সম্পর্কে আরও গবেষণা প্রয়োজন। এই সিদ্ধান্ত দক্ষিণ আফ্রিকার জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবে কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক চলছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনীতিতে কী ধরনের প্রভাব পড়বে, তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার সাদা জনগোষ্ঠীর উপর এই সিদ্ধান্তের প্রভাব সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রয়োজন। এই সিদ্ধান্তের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার জনগোষ্ঠীর মধ্যে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে, তা নিয়ে গবেষণা প্রয়োজন। এই সিদ্ধান্তের ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনীতিতে কী ধরনের পরিবর্তন আসবে, তা নিয়েও গবেষণা প্রয়োজন।



