ইরানে একটি দৌড় প্রতিযোগিতায় হিজাববিহীন নারীদের অংশগ্রহণের ঘটনায় দুই আয়োজককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই প্রতিযোগিতাটি ইরানের কিশ দ্বীপে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে প্রায় পাঁচ হাজার প্রতিযোগী অংশ নিয়েছিলেন।
ইরানের আইন অনুসারে, ১৯৭৯ সাল থেকে নারীদের জন্য হিজাব বাধ্যতামূলক। কিন্তু ২০২২ সালে আমিনির মৃত্যুর পর শুরু হওয়া আন্দোলনের পর থেকে ‘হিজাব পরার নীতি’ অনেকটাই দুর্বল হয়ে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে নারীদের পোশাকবিধি আগের অবস্থানে ফেরাতে সরকারি চাপ আবারও বেড়েছে।
ইরানের স্থানীয় প্রসিকিউটর বলেছেন, দেশের বর্তমান আইন, ধর্মীয় নিয়ম ও প্রথাগত বিধান মানার বিষয়ে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল, তারপরও প্রতিযোগিতাটি জনসাধারণের মর্যাদা লঙ্ঘন করে আয়োজন করা হয়েছে, তাই ফৌজদারি মামলা নেওয়া হয়েছে।
ইরানের সংসদের অধিকাংশ সদস্য অভিযোগ করেছেন, বিচার বিভাগ হিজাব আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করছে না। এর জবাবে দেশটির প্রধান বিচারপতি গোলামহোসেইন মোসেনি এজেই আইনটি অবিলম্বে কঠোরভাবে প্রয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন।
এই ঘটনাটি ইরানের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ইরানের সরকার নারীদের অধিকার ও স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এই ঘটনাটি ইরানের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন হিসেবে বিবেচিত হবে।
ইরানের সরকার এই ঘটনাটি নিয়ে গুরুতর অবস্থান নিয়েছে। সরকার ঘোষণা করেছে যে, তারা এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধ করার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেবে। এই ঘটনাটি ইরানের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
ইরানের সরকার এই ঘটনাটি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে আলোচনা করছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইরানের সরকারকে নারীদের অধিকার ও স্বাধীনতা সম্পর্কে আরও উদার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। এই ঘটনাটি ইরানের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।



