জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সনায়ে তাকাইচির উত্থান জাপানি নারীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন যে তার রক্ষণশীল রাজনীতি দেশটির লিঙ্গ বৈষম্যের পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারবে না।
সনায়ে তাকাইচির সমর্থক এবং বিরোধীরা একমত যে জাপানে ব্যবসা এবং সরকারে নারীদের নেতৃত্বের প্রয়োজন। জাপানের অর্থনৈতিক উন্নয়নের তুলনায় লিঙ্গ সমতার অভাব চোখে পড়ার মতো। এই বছর, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের লিঙ্গ ব্যবধান সূচকে জাপান ১৪৮টি দেশের মধ্যে ১১৮তম স্থানে রয়েছে।
জাপান সরকার ২০২০ সালের মধ্যে সমাজের সকল ক্ষেত্রে নেতৃত্বের ভূমিকায় ৩০% নারীকে নিয়োগ করার লক্ষ্য নিয়েছিল। তবে সেই বছরের শেষের দিকে এই লক্ষ্যটি এক দশক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে, ব্যবসায় নারীদের নেতৃত্বের হার ১১.১%।
জাপানের বয়স্ক জনসংখ্যা এবং শ্রমিক ঘাটতি দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে নারীদের কাজে নিয়োগ করতে বাধ্য করেছে। এই পরিস্থিতিতে, নারীরা কাজের বাজারে অংশগ্রহণ বাড়াচ্ছে। গত ১৫ বছর ধরে নারীদের কর্মশক্তিতে অংশগ্রহণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বছর, ১৫-৬৪ বয়সী নারীদের কর্মশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ৭৭% ছাড়িয়ে গেছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৭০% এর চেয়ে বেশি।
জাপানে নারীরা তাদের পুরুষ সহকর্মীদের তুলনায় কম বেতন পায়। একটি সরকারি জরিপ অনুসারে, নারীরা গড়ে পুরুষদের বেতনের ৭০-৮০% পায়।
জাপানে নারীদের নেতৃত্বের অভাব একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান করার জন্য, সরকার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে একসাথে কাজ করতে হবে। নারীদের নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি করতে হবে এবং তাদের কর্মশক্তিতে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।
জাপানের ভবিষ্যত উন্নয়নের জন্য, নারীদের নেতৃত্বের অভাব সমাধান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সমস্যার সমাধান করার জন্য, সরকার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে একসাথে কাজ করতে হবে। নারীদের নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি করতে হবে এবং তাদের কর্মশক্তিতে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে।
জাপানের নারীরা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করছে। তারা তাদের নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি করতে চায় এবং তাদের কর্মশক্তিতে অংশগ্রহণ বাড়াতে চায়। এই সংগ্রামে, তাদের সমর্থন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাপানের নারীদের নেতৃত্বের অভাব সমাধান করার জন্য, আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।
জাপানের নারীদের নেতৃত্বের অভাব একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। এই সমস্যার সমাধান করার জন্য, সরকার এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে একসাথে কাজ করতে হবে। নারীদের নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি করতে হবে এবং তাদের কর্মশক্তিতে অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। জাপানের ভবিষ্যত উন্নয়নের জন্য, নারীদের নেতৃত্বের অভাব সমাধান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



