পেঁয়াজের দাম বাড়তে থাকার পর সরকার আমদানির অনুমতি দিয়েছে। এরপর থেকে দেশে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। রাজধানী ঢাকার আড়তে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজি ২০ টাকা কমেছে।
সরকার স্বল্প পরিসরে পেঁয়াজ আমদানির সুযোগ দেওয়ার পর থেকে দেশে পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে। রোববার বিকালে দেশি পুরনো পেয়াঁজ প্রতি কেজি ১২০-১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আগের দিন এটি ছিল ১৫০ টাকা কেজি। কেউ কেউ ১৬০ ও ১৭০ টাকায়ও বিক্রি করছে।
আমদানির খবরে মুড়িকাটা পেয়াঁজের দামও ২০-৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে। ঢাকার বাজারে গত বৃহস্পতিবারও পেয়াঁজ বিক্রি হয় ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। পরের দিন শুক্রবার তা পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি ১৩০-১৩২টাকা। খুচরা পর্যায়ে তা ১৫০ টাকা কিনতে হয় ভোক্তাকে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেড় হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির আইপি দিয়েছে। হিলি ও সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের ট্রাক ঢুকতে শুরু করেছে। এসব পেঁয়াজের আমদানি দর কেজিপ্রতি ২৫ থেকে ৪৫ টাকা পর্যন্ত বলে তথ্য দেন আমদানি সংশ্লিষ্টরা।
বাজার ঊর্ধ্বমুখী দেখে বাড়তি লাভের আশায় বেশি পরিমাণে পেয়াঁজ কিনেছিলেন কারওয়ান বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী জসিম উদ্দিন। রোববার দুপুরের মধ্যে বড় অংশ বিক্রি করতে পারলেও ৫ মণের মত রয়ে গেয়েছিল সেগুলো এখন ১২০ টাকা কেজি দরেই বিক্রি করছেন, আরও কমে যাওয়ার শঙ্কা থেকে।
বাজারের আরেক পাইকারি ব্যবসায়ী সেকেন্দার আলীও হাতে থেকে যাওয়া পেঁয়াজ কেনা দামের চেয়ে কমে বিক্রি করছেন। তিনি বলেন, ‘পাইকারি ১৩৫ টাকা কেজি কিনছিলাম। কাইলকা (শনিবার) যা বিক্রি করছি-তার থাইকা আছে তিন বস্তা (৫০ কেজি এক বস্তায়)। এহন ১৩০ টাকায় বেচতাছি।’
বাজার ঊর্ধ্বমুখী দেখে বাড়তি লাভের আশায় মুড়িকাটা পেঁয়াজও কিনেছিলেন সেকান্দার। সেটির দর নিম্নমুখী হওয়ার তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, ‘যা লাভ হইছিল-তা কাইলকে (শনিবার) হয়। আইজকা বাকি পেঁয়াজ লোকসানে বেচতাছি। হুনতাছি সরকার পেঁয়াজ আনতাছে। দামের কী অবস্থা হয় তাই ১২০ টাকা কেজিতে ছাইড়া দিতাছি পাইকারি।’
পেঁয়াজের দাম কমছে এটি একটি ভালো লক্ষণ। এটি ভোক্তাদের জন্য সুবিধা বয়ে আনবে। তবে পেঁয়াজ উৎপাদনকারীদের জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তাদের উচিত হবে পেঁয়াজের দাম কমানোর জন্য কাজ করা। এটি করতে গেলে তাদের উৎপাদন খরচ কমাতে হবে। এছাড়াও তাদের উচিত হবে পেঁয়াজের গুণমান বাড়ানোর জন্য কাজ করা। এটি করলে তারা পেঁয়াজের দাম কমাতে পারবে এবং ভোক্তাদের জন্য সুবিধা বয়ে আনতে পারবে।
পেঁয়াজের দাম কমছে এটি একটি ভালো লক্ষণ। এটি ভোক্তাদের জন্য সুবিধা বয়ে আনবে। তবে পেঁয়াজ উৎপাদনকারীদের জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে। তাদের উচিত হবে পেঁয়াজের দাম কমানোর জন্য কাজ করা। এটি করতে গেলে তাদের উৎপাদন খরচ কমাতে হবে। এছাড়াও তাদের উচিত হবে পেঁয়াজের গুণমান বাড়ানোর জন্য কাজ করা। এটি করলে তারা পেঁয়াজের দাম কমাতে পারবে এবং ভোক্তাদের জন্য সুবিধা বয়ে আনতে পারবে।
পেঁয়াজের দাম কমছে এটি



