নেটফ্লিক্স ওয়ার্নার ব্রসকে ৮২.৭ বিলিয়ন ডলারে কেনার চুক্তি ফেডারেল নিয়ন্ত্রকদের কাছ থেকে অনুমোদন পাবে কি না, এটা এখনও অনিশ্চিত। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল যে প্যারামাউন্ট ওয়ার্নার ব্রসকে কেনার জন্য এগিয়ে ছিল, কারণ প্যারামাউন্টের সিইও ডেভিড এলিসনের ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। কিন্তু নতুন প্রতিবেদন অনুসারে, নেটফ্লিক্সের সহ-সিইও টেড সারান্ডোস নভেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে দেখা করেছেন এবং ওয়ার্নার ব্রস কেনার বিষয়ে আলোচনা করেছেন।
ট্রাম্প সারান্ডোসকে বলেছেন যে ওয়ার্নার ব্রসকে সর্বোচ্চ বিডারকে বিক্রি করা উচিত। সারান্ডোস এই বৈঠকের পর বিশ্বাস করেছেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই চুক্তির বিরোধিতা করবেন না। ওয়ার্নার ব্রসের সিইও ডেভিড জাসলাভ প্রথমে কোম্পানিটি বিক্রি করতে অনিচ্ছুক ছিলেন এবং প্যারামাউন্ট যখন এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করে, তখন তিনি অবাক হন। তিনি আশা করেছিলেন যে প্যারামাউন্টের সিইও এলিসন ওয়ার্নার ব্রসের মুভি এবং স্ট্রিমিং ব্যবসাকে কেবল নেটওয়ার্ক থেকে আলাদা করার পরে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করবেন।
ওয়ার্নার ব্রস পরে অন্যান্য বিডারদের বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেয়, যার ফলে একটি প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই প্রক্রিয়ায় নেটফ্লিক্স জয়ী হয়, যদিও প্যারামাউন্ট এখনও একটি হস্তক্ষেপমূলক বিড দিতে পারে। এই চুক্তির ফলে মিডিয়া শিল্পে একটি বড় পরিবর্তন আসতে পারে, কারণ নেটফ্লিক্স একটি বড় স্টুডিওকে অর্জন করবে। এটি মিডিয়া শিল্পের ভবিষ্যতের জন্য উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।
নেটফ্লিক্স ওয়ার্নার ব্রসকে কেনার চুক্তি সম্পন্ন হলে, এটি মিডিয়া শিল্পের একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। নেটফ্লিক্স একটি বড় স্টুডিওকে অর্জন করে তার সামর্থ্য বাড়াতে পারে এবং মিডিয়া শিল্পে তার অবস্থান শক্তিশালী করতে পারে। কিন্তু এই চুক্তির ফলে কী ধরনের প্রভাব পড়বে, এটা এখনও অনিশ্চিত।
মিডিয়া শিল্পে এই চুক্তির প্রভাব বিশ্লেষণ করে বলা যায় যে, এটি মিডিয়া শিল্পের ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। নেটফ্লিক্স ওয়ার্নার ব্রসকে কেনার চুক্তি সম্পন্ন হলে, এটি মিডিয়া শিল্পে একটি নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। কিন্তু এই চুক্তির ফলে কী ধরনের প্রভাব পড়বে, এটা এখনও অনিশ্চিত। তাই মিডিয়া শিল্পের ভবিষ্যত সম্পর্কে আমাদের সবাইকে সতর্কভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।



