ইউক্রেনে শান্তিচুক্তি সম্ভব হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত কিথ কেলগ এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, শান্তিচুক্তি সম্ভব হওয়ার জন্য মাত্র দুটি বড় বিষয় সমাধান করতে হবে। ক্রেমলিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রস্তাবে আমূল পরিবর্তন চাইছে।
কিথ কেলগ রিগান ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোরামে বলেন, যুদ্ধ শেষের চেষ্টা এখন ‘শেষ ১০ মিটারে’। তার ভাষায়, এটি সবসময়ই সবচেয়ে কঠিন ধাপ।
রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে হামলা শুরু করে। এর আগে টানা ৮ বছর ইউক্রেনের দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক নিয়ে গঠিত ডনবাসে রুশ-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী ও ইউক্রেন বাহিনীর লড়াই চলেছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী যুদ্ধ। এই যুদ্ধ বন্ধ করা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির এমন এক লক্ষ্য যা এখনও অধরা।
কিথ কেলগ বলেন, ‘ডনবাসের ভবিষ্যৎ এবং রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ইউরোপের বৃহত্তম জাপোরিঝিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে সমস্যার সমাধান হলেই বাকি সবকিছু ভালভাবেই হয়ে যাবে। আমরা প্রায় সেই জায়গায় পৌঁছে গেছি।’
শনিবার ক্যালিফোর্নিয়ার সিমি ভ্যালির রোনাল্ড রিগান প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরিতে রিগান ন্যাশনাল ডিফেন্স ফোরামে কিথ কেলগ আরও বলেন, ‘আমরা সত্যি সত্যিই শান্তিচুক্তির কাছে।’
এই শান্তিচুক্তি সম্ভব হলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটবে। এটি ইউরোপের জন্য এক বড় সুসংবাদ হবে।
এই শান্তিচুক্তির জন্য ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয় পক্ষকেই আলোচনার টেবিলে বসতে হবে। তাদের একটি ভাল চুক্তির ব্যাপারে আলোচনা করতে হবে।
এই চুক্তি সম্ভব হলে ইউক্রেনের মানুষ আবার শান্তিতে বসবাস করতে পারবে। তারা আবার তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবে।
এই শান্তিচুক্তির জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তাদের একটি ভাল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।
এই শান্তিচুক্তি সম্ভব হলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নত হবে। তারা আবার একসাথে কাজ করতে পারবে।
এই শান্তিচুক্তির জন্য সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। তাদের একটি ভাল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।
এই শান্তিচুক্তি সম্ভব হলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে। তারা আবার একসাথে বসবাস করতে পারবে।
এই শান্তিচুক্তির জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তাদের একটি ভাল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।
এই শান্তিচুক্তি সম্ভব হলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নত হবে। তারা আবার একসাথে কাজ করতে পারবে।
এই শান্তিচুক্তির জন্য সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। তাদের একটি ভাল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।
এই শান্তিচুক্তি সম্ভব হলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে। তারা আবার একসাথে বসবাস করতে পারবে।
এই শান্তিচুক্তির জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। তাদের একটি ভাল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।
এই শান্তিচুক্তি সম্ভব হলে ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক উন্নত হবে। তারা আবার একসাথে কাজ করতে



