ভারতে কয়েনবেস তাদের অ্যাপ আবার নিবন্ধনের জন্য খুলে দিয়েছে। বর্তমানে, ব্যবহারকারীরা ক্রিপ্টো-টু-ক্রিপ্টো লেনদেন করতে পারে। ভারত ব্লকচেইন সপ্তাহে কয়েনবেসের এপিএসি পরিচালক জন ও’লোগলেন বলেছেন, কোম্পানিটি ২০২৬ সালে একটি ফিয়েট অন-র্যাম্প খোলার পরিকল্পনা করছে, যাতে ভারতের ব্যবহারকারীরা অর্থ লোড করতে পারে এবং ক্রিপ্টো কেনার সুযোগ পাবে।
কয়েনবেস ২০২২ সালে ভারতে তাদের পরিষেবা চালু করেছিল। কিন্তু কয়েকদিনের মধ্যেই তাদের ইউনিফাইড পেমেন্টস ইন্টারফেস (ইউপিআই) পেমেন্ট নেটওয়ার্কের জন্য সমর্থন বন্ধ করতে হয়েছিল। এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছিল ইউপিআই অপারেটর ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন (এনপিসিআই) ভারতে কয়েনবেসের উপস্থিতি স্বীকার করতে অস্বীকার করার পর। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে, কয়েনবেস ভারতীয় ব্যবহারকারীদের জন্য সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় এবং তাদেরকে তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে সরে যেতে বলে।
কয়েনবেস সরকারি সংস্থা ফাইন্যান্শিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (এফআইইউ)-এর সাথে যোগাযোগ শুরু করেছে, যা লেনদেন এবং জালিয়াতি তদন্ত করে। এবং অবশেষে এই বছর তাদের সাথে নিবন্ধন করেছে। অক্টোবরে, তারা প্রাথমিক অ্যাক্সেসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের নিয়োগ শুরু করেছে, এবং এখন অ্যাপটি সকল ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত।
অনেক ইন্টারনেট কোম্পানি ভারতে তাদের ঘাঁটি স্থাপন করেছে, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন ব্যবহারকারীর ভিত্তি কাঁধে নিয়ে। যদিও সামাজিক প্ল্যাটফর্ম এবং এআই কোম্পানি যেমন ওপেনএআই এই বাজারে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে, কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির চারপাশে করের কারণে ক্রিপ্টো কোম্পানিগুলির জন্য একই পথ অনুসরণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ভারত ক্রিপ্টো আয়ের উপর ৩০% কর আরোপ করে, কোনো ক্ষতি অফসেট ছাড়াই, এবং প্রতিটি লেনদেনের উপর ১% কাটাতি করে, যা ব্যবহারকারীদের প্রায়শই লেনদেন করতে উৎসাহিত করতে পারে না।
কয়েনবেস ভারতে তাদের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত দেশের ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতীয় ব্যবহারকারীরা আবার ক্রিপ্টো লেনদেনে অংশগ্রহণ করতে পারবে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে অবদান রাখবে। তবে, ক্রিপ্টোকারেন্সির চারপাশে নিয়ন্ত্রণ এবং করের বিষয়ে স্পষ্টতা প্রয়োজন যাতে ব্যবহারকারীরা নিরাপদে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে লেনদেন করতে পারে।
ভবিষ্যতে, কয়েনবেস এবং অন্যান্য ক্রিপ্টো কোম্পানিগুলির জন্য ভারতীয় বাজারে সফল হওয়ার জন্য সরকারের সাথে সহযোগিতা করা এবং নিয়ন্ত্রক পরিবেশকে বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে। এটি ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারের বৃদ্ধি এবং বিকাশের জন্য অপরিহার্য, যা ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে।
কয়েনবেসের এই সিদ্ধান্ত ভারতের ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে একটি নতুন দিক নির্দেশ করছে। এই বাজারের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশাবাদী হওয়া যায়, কারণ ক্রিপ



