বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের বাজারে পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত থাকবে। ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার এই তথ্য জানিয়েছেন। রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ থেকে রপ্তানিকৃত পণ্যগুলির মধ্যে প্রায় ৯২ শতাংশ যুক্তরাজ্যের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। এতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারে বৈচিত্র্য আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে যুক্তরাজ্য দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহী।
বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে এই সিদ্ধান্তের ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এই সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের শিল্পখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। এই সহযোগিতা উভয় দেশের জন্য উপকারী হবে।
বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারে বৈচিত্র্য আনতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এই সুবিধা অবদান রাখবে। বাংলাদেশের শিল্পখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এই সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের শিল্পখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। এই সহযোগিতা উভয় দেশের জন্য উপকারী হবে।
বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারে বৈচিত্র্য আনতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এই সুবিধা অবদান রাখবে। বাংলাদেশের শিল্পখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এই সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের শিল্পখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। এই সহযোগিতা উভয় দেশের জন্য উপকারী হবে।
বাংলাদেশের রপ্তানি বাজারে বৈচিত্র্য আনতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এই সুবিধা অবদান রাখবে। বাংলাদেশের শিল্পখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে এই সুবিধা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের শিল্পখাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। এই সহযোগিতা উভয় দেশে



