ইরানের সরকারকে উৎখাত করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দুইবার প্রচেষ্টা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত এবং সিরিয়ার বিশেষ দূত টম ব্যারেক। তিনি আরও বলেন, এই প্রচেষ্টাগুলো ব্যর্থ হয়েছে।
গত শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে ব্যারেক জানান, ১৯৪৬ সাল থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বজুড়ে প্রায় ৯৩টি অভ্যুত্থান বা ‘শাসন পরিবর্তনের’ প্রচেষ্টা চালিয়েছে। এর মধ্যে ইরানে দুটি রয়েছে, যার কোনোটি সফল হয়নি।
ব্যারেক আরও বলেন, ট্রাম্পের বর্তমান প্রশাসন বিদেশি শাসন পরিবর্তনের এই ধারা থেকে বেরিয়ে এসেছেন। ইরানে সাম্প্রতিক হামলার সময় ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ইচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ছিল না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ব্যারেক উল্লেখ করেন, ‘ইরানে ইতোমধ্যেই দুটি শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা হয়েছে। একটিও কাজ করেনি। তাই আমি মনে করি, এটি সমাধানের জন্য অঞ্চলের ওপর ছেড়ে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।’
তিনি আরও দাবি করেছেন, মার্কিন প্রশাসন তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য উন্মুক্ত। এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ কী হবে তা এখনও অস্পষ্ট। তবে এটা নিশ্চিত যে এই ঘটনা ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ইরানের প্রতিক্রিয়া কী হবে তা দেখার বিষয়। তবে এটা স্পষ্ট যে এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
এই ঘটনার পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক কেমন হবে তা নিয়ে অনেক প্রশ্ন তুলেছে। তবে এটা নিশ্চিত যে এই ঘটনা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উপর গভীর প্রভাব ফেলবে।



