কৃষি ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির পেছনে কারসাজির প্রমাণ পাওয়া গেলে কৃষি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেছেন, যারা কারসাজি করবেন তাদের চাকরি থাকবে না।
সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, গতকাল হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এ কারসাজি যারা করছেন, সেই চক্রটিকে খুঁজে বের করতে হবে।
কৃষি উপদেষ্টা জানিয়েছেন, আমাদের গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ প্রায় ওঠানো হয়ে গেছে। মুড়িঘাটা পেঁয়াজও উঠানো শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে পেঁয়াজের কোনও সংকটও নেই। বাজারে প্রচুর পেঁয়াজ আছে। কিন্তু দাম বেড়ে গেছে। ভোক্তাদের কষ্ট পেতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখতেই আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পেঁয়াজের দাম বাড়ানোর কারসাজিতে কৃষি কর্মকর্তাদের যুক্ত থাকার প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসপিদের মতো কৃষি কর্মকর্তাদেরও লটারিতে বদলী করা হবে বলে জানান তিনি।
আলুচাষিরা খুবই ভোগান্তি পেয়েছে জানিয়ে তাদের ভর্তুকি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। উপদেষ্টা বলেন, আমাদের আলু রপ্তানি হয়। কিন্তু আলুর মান ভালো না। কাজেই যে আলুতে চিপস হয়, সেটা আমাদের এখানে কম উৎপাদন হয়। কাজেই এখন গবেষণা করে আলুর জাত উন্নত করতে হবে। যাতে এটা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করতে হবে।
কৃষি উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর এই বক্তব্য পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকারের পদক্ষেপকে তুলে ধরছে। এছাড়াও কৃষি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।
পেঁয়াজের বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও আলুচাষিরা যাতে ভোগান্তি পায় না, সেজন্য তাদের ভর্তুকি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপ কৃষি খাতে স্থিতিশীলতা আনতে সাহায্য করবে বলে আশা করা যায়।



