গত বছরের ৫ই আগস্ট স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পরও দেশে দুর্নীতি চলছে। এমনটি মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এর নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
তিনি বলেছেন, দুর্নীতির মাত্রা বাড়ছে নাকি কমছে এই বিষয়ে তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। তবে একথা নিশ্চিত যে দুর্নীতি চলছে।
টিআইবি নির্বাহী পরিচালক বলেছেন, ৫ই আগস্টের পর থেকেই দুর্নীতির লক্ষণ দেখা দিয়েছে। যারা রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক স্থানকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করে তারা এখনও সক্রিয়।
অস্থায়ী সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার সুযোগ ছিল, কিন্তু তারা এই সুযোগ হারিয়েছে।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিষয়ে ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ভারত সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে লজ্জাজনক কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পরাজয়ের সম্মুখীন হয়েছে।
তিনি বলেছেন, ভারত এখনও এই পরাজয় স্বীকার করতে পারেনি। তবে এর মানে এই নয় যে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নতি করা সম্ভব নয়।
উভয় দেশেরই বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কূটনীতি ও সামাজিক-অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার শক্তিশালী স্বার্থ রয়েছে।
ভারত যদি স্বৈরাচারের প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে, তাহলে বাংলাদেশের সাথে সহযোগিতা করা সহজ হবে।
ব্যবসা খাতের জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন,
টিআইবি নির্বাহী পরিচালক এই মন্তব্যগুলো করেছেন টিআইবির মিডাস সেন্টার অফিসে অনুষ্ঠিত ‘একটি সুশাসনবান, বৈষম্যমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের অঙ্গীকার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে।
এই অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহার প্রস্তুতির জন্য টিআইবির সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে।
এই সুপারিশগুলো প্রণীত হয়েছে ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষিতে।
টিআইবির এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করা হলে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দূর করা সম্ভব হবে।
এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের জন্য সকল স্টেকহোল্ডারদের সমর্থন প্রয়োজন।
সরকার, রাজনৈতিক দল, বেসরকারি সংস্থা ও নাগরিক সমাজের সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দূর করা সম্ভব হবে।
এই লক্ষ্যে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দূর করার জন্য সকলের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
এই সমর্থন ও সহযোগিতা পাওয়া গেলে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দূর করা সম্ভব হবে।
এই লক্ষ্যে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দূর করার জন্য সকলের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
এই সমর্থন ও সহযোগিতা পাওয়া গেলে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দূর করা সম্ভব হবে।
এই লক্ষ্যে সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দূর করার জন্য সকলের সমর্থন ও সহযোগিতা প্রয়োজন।
এই সমর্থন ও সহযোগিতা পাওয়া গেলে দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতি দূর করা সম্ভব হবে।
এই লক্ষ্যে সকল



