মোবাইল ব্যবসায়ীরা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। বাংলাদেশের মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিটিআরসির সঙ্গে বৈঠকে সমাধান না পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশে ১৬ ডিসেম্বর থেকে হ্যান্ডসেট নিবন্ধন বা এনইআইআর সিস্টেম চালু হতে যাচ্ছে। এই সিস্টেম চালুর আগে দেশের ২৫ হাজার মোবাইল ব্যবসায়ী উদ্বিগ্ন। তারা চান এনইআইআর সিস্টেম চালুর আগে শুল্ক হার ৫৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হোক।
বিটিআরসির তথ্যানুসারে, ব্যবসায়ীদের কাছে বর্তমানে ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে আনা প্রায় ৫০ লাখ হ্যান্ডসেট মজুত আছে। ব্যবসায়ীরা চান এসব হ্যান্ডসেট শুল্ক দিয়ে বৈধ করার সুযোগ পেতে। এছাড়া, তারা মোবাইল ফোন আমদানির প্রক্রিয়াও সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
রবিবার দুপুরে আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ। বিক্ষোভের মুখে দুপুর ১২টার পর ৭ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে আলোচনার জন্য ডাকা হয়। তবে বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়ায় সংগঠনটি আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
এনইআইআর সিস্টেম চালু হলে দেশের মোবাইল ব্যবসায়ীদের উপর প্রভাব পড়বে। তারা চান এনইআইআর সিস্টেম চালুর আগে শুল্ক হার কমিয়ে দেওয়া হোক। এছাড়া, তারা চান মোবাইল ফোন আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করা হোক।
মোবাইল ব্যবসায়ীদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় দেশের মোবাইল বাজারে প্রভাব পড়বে। সরকারকে মোবাইল ব্যবসায়ীদের দাবি বিবেচনা করে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। নচেৎ, দেশের মোবাইল বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে।
মোবাইল ব্যবসায়ীদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়বে। সরকারকে মোবাইল ব্যবসায়ীদের দাবি বিবেচনা করে সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। নচেৎ, দেশের অর্থনীতিতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে।



