বাংলাদেশ সরকার বর্তমান অর্থবছর ২০২৫-২৬ এর জন্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমাতে এবং মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা বাড়াতে পরিকল্পনা করছে। অর্থ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার পরে, জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৫.৫ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে কমানো হতে পারে।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) তাদের সর্বশেষ বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৪.৯ শতাংশে কমিয়েছে, যা জুন মাসের পূর্বাভাস ৫.৪ শতাংশ থেকে কম। আইএমএফ রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, কঠোর নীতি, বাণিজ্য বাধা এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ।
এছাড়াও, বিশ্ব ব্যাংক এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক তাদের পূর্বাভাসে ৪.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে, যখন এডিবি ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে।
অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি, মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাসও পরিবর্তন করা হচ্ছে। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৬.৫ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশে বাড়ানো হতে পারে। এই পরিবর্তনটি অক্টোবর মাসে রেকর্ড করা ৯.২২ শতাংশ মুদ্রাস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এছাড়াও, সরকার জাতীয় বাজেট কমাতে পরিকল্পনা করছে। অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাজেট ২০,০০০ কোটি টাকা কমানো হতে পারে। এই কমানোর ফলে বেশিরভাগ কাটছাঁট হবে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)তে, যা বাজেটের মোট ৭৯০,০০০ কোটি টাকার মধ্যে ২৩০,০০০ কোটি টাকা নিয়ে গঠিত।
এডিপি বাস্তবায়নের হার খুবই কম, যা এখন পর্যন্ত মাত্র ১০,৪৯০ কোটি টাকা। এই পরিস্থিতি সরকারকে বাজেট পরিবর্তনের দিকে ধাবিত করছে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য করা হচ্ছে। তারা আশা করছেন, এই পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য করা হচ্ছে। তারা আশা করছেন, এই পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
তবে, কিছু অর্থনীতিবিদ এই পরিবর্তনগুলি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। তারা বলছেন, এই পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য করা হচ্ছে, তবে এগুলি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য করা হচ্ছে। তারা আশা করছেন, এই পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির জন্য করা হচ্ছে। তারা আশা করছেন, এই পরিবর্তনগুলি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।



